
সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনগুলোর একটি হচ্ছে নিরাপত্তা এবং এ কারণে পবিত্র কুরআনে বিষয়টির প্রতি বহুবার ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, দেশের নিরাপত্তা এখন আর শুধু আইন-শৃঙ্খলা ও সামরিক বিষয়ে সীমাবদ্ধ নেই বরং তা অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক বিষয়গুলোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে।
কোনো কোনো মহল ইরানের ইসলামি বিপ্লবি স্রোতধারার গতি পরিবর্তন করার চেষ্টা করছে বলে উল্লেখ করেন সর্বোচ্চ নেতা। তিনি বলেন, ইসলামি বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী (রহ.)’র চিন্তাধারা তার লিখিত গ্রন্থগুলোতে বিদ্যমান রয়েছে। কাজেই বিপ্লবের মূল স্রোতধারা খুঁজতে হলে ইমামের প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করতে হবে।
আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন, ইসলামি বিপ্লবের শুরু থেকেই কেউ কেউ বিপ্লবের চিন্তাধারাকে মেনে নেয়নি। এ ছাড়া, আরেকটি দল ইসলামি শাসনব্যবস্থার ভেতরে থেকেও সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের নীতি বিশ্বাসী নয়। এই ধরনের চিন্তাধারার অনুসারীদের প্রতিহত করতে হবে।