
আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী(আ.) বলেছেন, আমার কাছ থেকৈ এই মূল্যবান কথাটিও শনে রাখ। শেষ জামানায় এমন াএক আল্লাহর হুজ্জাত থাকবে যাকে মানুষ চিনবে না কিন্তু তিনি মানুষকে চিনবেন। যেভাবে হযরত ইউসুফকে জনহণ চিনত না কিন্তু তিনি সবাইকে চিনতেন।
এরপর তিনি সূরা ইয়াসিনের ৩০ নং আয়াতটি তিলাওয়াত করেন: "يَا حَسْرَةً عَلَى الْعِبَادِ ۚ مَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ"
হায়! দুঃখ বান্দাদের জন্য! তাদের নিকট এমন কোন রাসূল আগমন করেনি যাকে নিয়ে তারা হাস্য-কৌতুক করেনি। তারা কি লক্ষ্য করেনি, আমরা তাদের পূর্বে কত জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করেছি? যারা তাদের নিকট প্রত্যাগমন করবে না।
আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী(আ.) বলেছেন, শেষ জামানায় ফেতনার সময় তারাই উত্তম লোক যারা চুপ থাকবে এবং কিছুই প্রকাশ করবে না।
হযরত আলীর(আ.) মদ্যে সকল নবীর ভাল গুণাবলী বিদ্যমান ছিল। তিনি ছিলেন মহানবীর(সা.) জ্ঞানের শহর এবং তার উত্তরাধিকারী। কিন্তু কুরাইশরা হযরত আলীর ইমামতকে কবুল করবে না।