
বার্তা সংস্থা ইকনা: দ্বাদশ শতাব্দীতে ইসলামী বিশ্বের প্রাচীনতম লাইব্রেরি নির্মাণ করা হয়েছে। যা মরক্কোর ফাস শহরের ‘কারুভিয়িন’ প্রত্নতাত্ত্বিক কমপ্লেক্স লাইব্রেরী হিসেবে প্রসিদ্ধ। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পর আগামী মে মাসে এই প্রাচীনতম লাইব্রেরিটি সংস্করণ করা হবে।
মরক্কোর সংস্কৃতি মন্ত্রী লক্ষাধিক ডলারের বিনিময়ে মরক্কো-আমেরিকান আর্কিটেক্ট ‘আজিজা আল-শাভানী’র নিকট ইসলামী বিশ্বের প্রাচীনতম লাইব্রেরি সংস্কারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
‘কারুভিয়িন’ প্রত্নতাত্ত্বিক কমপ্লেক্সে লাইব্রেরী, মসজিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। যা ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে তিউনিসিয়ার এক ধনী অভিবাসীর কন্যা ‘ফাতিমা আল-ফাহরী’ নির্মাণ করেছেন। তিনি শিক্ষিত এবং মাযহাবী ছিলেন। ‘ফাতিমা আল-ফাহরী’ নিয়ত করেছিলেন, তার উত্তরাধিকারী পাওয়া সকল সম্পত্তি ধর্মীয় শিক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ সেন্টার এবং মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যয় করবেন।
ইউনেস্কোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ফাতিমা আল-ফাহরী’ চেষ্টার ফলে ‘কারুভিয়িন’ প্রত্নতাত্ত্বিক কমপ্লেক্স নির্মাণ হয়েছে এবং তার নির্মিত এ প্রতিষ্ঠানে বিশ্বের বিখ্যাত ওলামা বিশেষ করে চতুর্দশ শতাব্দীতে ইবনে আরাবী এবং ইবনে খালদুন সহ অনেক ইতিহাসবিদ ও অর্থনীতিবিদ অধ্যয়ন করেছেন। উক্ত লাইব্রেরীটি মধ্যযুগে ইউরোপীয় ও মুসলমানদের মধ্যে জ্ঞান স্থানান্তরের ভূমিকা পালন করেছে।