
শীর্ষনিউজের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা: মসজিদে আগুন দেয়ার সময় তাদের হাতে ওয়েল্ডিং স্টিক, ছুরি এবং অন্যান্য অস্ত্র ছিল। রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র ‘দ্যা গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ এ খবর দিয়েছে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের একটি আশ্রয়শিবিরে আগুন লেগে শত শত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এর ফলে প্রায় দুই হাজারের বেশি মুসলমানের ঠাঁই হয়েছে খোলা আকাশের নিচে। গতকাল রাখাইন প্রদেশের প্রধান শহর সিত্তের অদূরে 'বাও দু ফা' আশ্রয়শিবিরে আগুন লাগে। মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়ে সারা শিবিরে। আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করে সব।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। মসজিদে হামলাকারীরা কোনো কথা শুনছিল না এবং পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। শেষ পর্যন্ত দাঙ্গাকারীদের অগ্নিকাণ্ডে মসজিদটি পুড়ে গেছে।”
পত্রিকাটি জানিয়েছে, মসজিদ পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করেনি। গত এক সপ্তাহের মধ্যে এ নিয়ে মিয়ানমারে দ্বিতীয়দফা মসজিদে হামলার ঘটনা ঘটলো। গত ২৩ জুন মিয়ানমারের বাগো প্রদেশের থুয়ে থা মিন গ্রামে ২০০ উগ্রবাদী বৌদ্ধ একটি মসজিদে হামলা চালায়। এতে মসজিদের একাংশ ভেঙে যায় এবং স্থানীয় মুসলমানদেরকে একটি থানায় আশ্রয় নিতে বাধ্য করা হয়। ওই এলাকায় একটি মুসলিম স্কুল প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে এ হামলা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২৩ জুনের ঘটনাকে ভয়াবহ অপরাধ বলে মন্তব্য করেছে।