
বার্তা সংস্থা ইকনা: এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গিয়েছে মার্কিন সেনার। ৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মার্কিন সরকার। এ কথা জানিয়েছেন পেন্টাগনের মুখপাত্র কন ফউলকনর।
পাকিস্তান ক্রমাগত জঙ্গি দমনে ব্যর্থ। এর আগেও বহুবার আমেরিকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল ইসলামাবাদকে। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। পেন্টাগনের মুখপাত্র জানান, জঙ্গি দমনে ইসলামাবাদ কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
পাকিস্তানকে জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রথমে ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্যের কথা বলা হয়েছিল। দু’টি কিস্তিতে এই টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও পাকিস্তান তাদের প্রতিশ্রুতিমতো জঙ্গি দমনের ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা নেয় না। যার ফলস্বরূপ আমেরিকা ৫০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ দেওয়া বন্ধ করে দেয় পাকিস্তানকে। এবার বাদবাকি ৩০০ মিলিয়ন ডলারও হারাতে চলেছে পাকিস্তান। মুখপাত্র কন ফউলকনর জানিয়েছেন, এই অর্থ অন্য কাজে ব্যবহার করবে পেন্টাগন।
পাকিস্তানের হাক্কানি নেটওয়ার্ক আমেরিকা ও আফগানিস্তানের বহু নাশকতার সঙ্গে যুক্ত৷ এছাড়াও পাকিস্তানের নিশ্চিত আশ্রয়ে রয়েছে তালিবান ও লস্কর-ই-তৈবার মতো জঙ্গি গোষ্ঠী৷ এই জঙ্গি সংগঠনগুলির নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তানের বেশ কিছু অঞ্চল৷ তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় বেশ ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রশাসন৷ জানা গিয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব জিম ম্যাটিস পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্যের ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন না৷ তাই প্রথম কিস্তির ৫০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ সরবরাহ করা হয়নি পাকিস্তানকে৷ এবার দ্বিতীয় কিস্তির টাকা না দেওয়ার ব্যাপারে মার্কিন সেনা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷
এবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের৷ সেখান থেকে সবুজ সঙ্কেত পেলে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ হাতছাড়া হবে ইসলামাবাদের৷ তবে এটা কোনও নতুন ঘোষণা নয় বলেই জানিয়েছেন পেন্টাগনের মুখপাত্র কন ফউলকনর।
চলতি বছর জানুয়ারি মাসে মার্কিন প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তানকে যে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়, তা কমিয়ে দেওয়া হবে৷ তবে জঙ্গি মদতের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান৷