
Columbia Tribune ওয়েব সাইটের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা : সমালোচকদের মতে এ সকল মাদ্রাসা সহিংসতা প্রসারের কেন্দ্রস্থল।
কয়েক মাস পূর্বে পেশোয়ারের একটি স্কুল হামলা চালায় তালেবান। এতে ১৫০ জন নিহত হয়, যাদের অধিকাংশই ছিল শিশু। এ ঘটনার পর সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলার জন্য চাপের মুখে পড়ে পাকিস্তান সরকার।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ২০টি পদক্ষেপের প্রস্তাব রাখেন, মাদ্রাসাসমূহের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ যেগুলোর মধ্যে অন্যতম।
মাদ্রাসার সমালোচকরা দাবী করেছেন যে, এ সকল মাদ্রাসাতে ছাত্রদেরকে সামাজিক জীবন-যাপনের প্রয়োজনীয় শিক্ষা তাদেরকে দেয়া হয় না এবং তদস্থলে ধর্ম ভিত্তিক গোঁড়ামী তাদের মস্তিস্কে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
কিন্তু মাদ্রাসাতে কর্মরত অনেকে বলছেন যে, অন্যায়ভাবে এ ধরণের অভিযোগ তাদের উপর আরোপ করা হচ্ছে।
রাওয়ালপিণ্ডির তালিমুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষক আবরারুল হক সহিংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন : ‘যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত আমরা তাদের নিন্দা জানাই। এটা আমাদের দেশ। যারাই দেশ ও ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করবে তারা নিন্দার যোগ্য’।
পাকিস্তানে মাদ্রাসার সঠিক সংখ্যা নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও এদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার মাদ্রাসা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
ছাত্রদেরকে শিক্ষা দানের পাশাপাশি তাদের আবাসন ও খাদ্যের ব্যবস্থাও করে থাকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।