
বার্তা সংস্থা ইকনা: ঐতিহাসিক এ সতাটি মসজিদ বিদ’য়াত হওয়ার বাহানায় সালেহ আল ফুজান এ মসজিদ গুলো ভেঙ্গে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দাবী করেছেন, ঐতিহাসিক ভাবে এ মসজিদগুলো বিদ’য়াত এবং এ মসজিদে নামাজ আদায় থেকে মুসলমানদের বিরত রাখতে হবে।
তিনি বলেন: বিদ’য়াত ব্যতীত এ মসজিদের কোন অস্তিত্ব নেই। এ মসজিদ সমূহ অবিলম্বে ভেঙ্গে ফেলতে হবে। কারণ, এগুলো মসজিদ নয়, বরং এগুলো বিদ’য়াত হিসেবে পরিগণিত। হযরত মুহাম্মাদ (সা.)এবং সাহাবিদের সময়ে এ মসজিদ সমূহ নির্মাণ করা হয়েছে বলে প্রচলিত রয়েছে। এ মসজিদগুলো যিয়ারতের স্থান হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। আইনগত ভাবে এ মসজিদের কোন স্থান নেই। এ সাতটি মসজিদে কারো নামাজ আদায় করতে যাওয়া উচিত নয়। কারণ, এটা বিদ’য়াত।
মদিনার সাতটি মসজিদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনায় ‘গাযভাহ খান্দাক’এর সময়ে এ মসজিদ গুলো নির্মাণ করা হয়েছে। মদিনার পশ্চিমাঞ্চলে ‘সালয়’ নামক পাহাড়ের শৈলপ্রান্তে এ মসজিদ সমূহের অবস্থান।
এই মসজিদ সমূহের ইতিহাস সম্পর্কে আলেম ও ইতিহাসবেত্তাগণ হতে অনেক রেওয়ায়ত উল্লেখ রয়েছে। অবশ্য, স্বয়ং হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এবং তাঁর সাহাবিদের সময়ে এ মসজিদ সমূহ নির্মাণ করা হয়েছে বলে অনেক ইতিহাসবিদ দাবী করেছেন।
স্বয়ং হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এবং তাঁর সাহাবিদের সময়ে এ মসজিদ সমূহ নির্মাণ করা হয়েছে বলে অনেক ইতিহাসবিদ দাবী করেছেন।
এ মসজিদ নির্মাণের সঠিক ইতিহাসে পার্থক্য থাকলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনগণ যিয়ারতের জন্য এ মসজিদে যায়। মুসলমানের মদিনায় প্রবেশের পরেই এ মসজিদ পরিদর্শনের করে।
সৌদি আরবের ওয়াহাবী মুবাল্লিগদের ফতোয়ার ফলে সেদেশের ইসলামিক অনেক নিদর্শন ধ্বংস করা হয়েছে।
ওয়াহাবী মুবাল্লিগরা মুসলমানদের কাফের হিসেবে ফতোয়া জারি ছাড়াও, কবরস্থান ধ্বংস, বিভিন্ন যিয়ারতের স্থান ধ্বংস, আহলে বাইয়েত (আ.)এর বিভিন্ন মসজিদ ধ্বংস ছাড়াও বিভিন্ন ইসলামিক ধ্বংস করেছে।
3344576