
উদ্ধার হওয়া মাংস গরুর কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় পশুচিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার জন্যও নমুনা পাঠানো হয়েছে। বাড়িগুলি থেকে পশুর চর্বি, চামড়া এবং হাড়ও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, বেআইনি গোমাংসের কারবারের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালিয়েছে তারা। মধ্যপ্রদেশে গরুনিধন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আনন্দবাজার পত্রিকায় বলা হয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মধ্যপ্রদেশের মণ্ডলার ভানিওয়াহি এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশের একটি বিশেষ দল। এলাকাটি আদিবাসী অধ্যুষিত।
পুলিশের কাছে খবর ছিল, ওই এলাকায় বলি দেওয়ার জন্য অনেক গরু জড়ো করা হয়েছে। পুলিশ গিয়ে ১১টি বাড়িতে তল্লাশি চালায়। বাড়িগুলির পেছনের উঠোন থেকে বাঁধা অবস্থায় অনেক গরু উদ্ধার করে। অন্তত ১৫০টি গরু এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরপর অভিযান চালিয়ে ফ্রিজ থেকে গরুর মাংস উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি ১০ জনের সন্ধানে তল্লাশি চলছে। অভিযুক্তদের মধ্যে দু’জনের আগে থেকেই অপরাধমূলক কাজের ইতিহাস রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বাকিদের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।