
আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের ফাঁসির দাবিতে শনিবার কোচবিহার জেলাজুড়ে সড়কে নেমেছিল তৃণমূল।
কোচবিহার সদর, দিনহাটা, মাথাভাঙা, তুফানগঞ্জ—সব জায়গায়ই বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ হয়। কোচবিহারের সাগরদিঘিতে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের মঞ্চে দাঁড়িয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন বলেন, ‘এই ঘটনায় যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলছেন, যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগালি করছেন, যারা আঙুল তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ চাইছেন, সেই আঙুলগুলোকে চিহ্নিত করে ভেঙে দেওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে। না হলে এরা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ তৈরি করার চেষ্টা করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু, তারা জানেন না, হাসিনা যে ভুল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ভুল করবেন না, করেননি।
তাই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ওইভাবে ভাঙচুর করার পরও পুলিশ গুলি চালায়নি। পুলিশ এখানে বাংলাদেশ করতে দেবে না। সরকার এখানে বাংলাদেশ করতে দেবে না। তৃণমূলের কর্মীরা সাধারণ মানুষের সহযোগিতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ করতে দেবেন না।
’
উদয়নের এই বক্তব্যের পর কটাক্ষ করেন জেলা বিজেপির সভাপতি সুকুমার রায়। তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষ এখন মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছেন রাস্তায় নেমে। রাস্তা দখল করেছেন নারীরা। ওই কর্মসূচিতে কত লোক হয়েছিল! তিনি (উদয়ন) কয়টা হাত ভাঙবেন? কার আঙুল ভাঙবেন। এমন যেন না হয়।
আগামী দিনে তার (উদয়ন) আঙুলও যেন ঠিক থাকে।’
বিজেপি নেতা আরো বলেন, ‘পুলিশের মদতেই সব হচ্ছে। সেদিন (১৪ অগস্ট রাতে) আরজি করে যদি বিরোধী দলের লোক থাকতেন, তাহলে পুলিশ গুলি করত।’
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা