
তিনি বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ চাইলে তাদের ভূখণ্ডেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন করতে পারে, কারণ সেখানে পর্যাপ্ত ভূমি রয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত হিসেবে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে সৌদি আরব।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে জানান, ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে এমন কোনো চুক্তি তিনি করবেন না।
এর আগে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রতি জোরালো সমর্থন জানিয়ে সৌদি আরব ঘোষণা দেয় যে, ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে কোনো প্রচেষ্টাও তারা প্রত্যাখ্যান করবে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হলে ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক স্থাপন সম্ভব নয়।
এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনের পর সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।
ট্রাম্প বলেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতিবেশী দেশগুলোতে পুনর্বাসন করা হলে তিনি চান গাজার নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকুক এবং অঞ্চলটি পুনর্গঠনের কাজ করা হোক।