
ইকনা সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা মুবাশশিরের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোররাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ধর্মীয় উপাসনালয়ের অবমাননা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের অভিযোগে মামলা দায়ের করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আসিফ মাস্তান আল-জাজিরা মুবাশশিরকে বলেন, “দেশে ইসলামবিদ্বেষের মাত্রা আপনারা জানেন। এই যুবকরা কোথা থেকে এমন কাজের চিন্তা পেল? একা একা এটা করেছে বলে বিশ্বাস করা কঠিন। পিছনে বড় কোনো ষড়যন্ত্র আছে বলে মনে হচ্ছে। হয়তো হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর উদ্দেশ্য ছিল। পুলিশ এই তথ্য বের করতে সক্ষম।” তিনি আরও বলেন, “মানুষ শুধু অপরাধীদের তৎক্ষণাৎ গ্রেপ্তার এবং উত্তেজনা না বাড়তে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে। তারা চায় এই ঘটনার পিছনের ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হোক এবং জড়িতরা শাস্তি পাক।”
মসজিদের ইমাম জাহেদ কাদেরি জানান, স্থানীয় এক যুবক তাকে জাগিয়ে আগুনের খবর দিলে তিনি দ্রুত আগুন নিভিয়ে পুলিশে খবর দেন। তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “যারা মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা সমাজবিরোধী উপাদান। এটি ঐতিহাসিক মসজিদ; এলাকার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ। এমন ঘটনা এর আগে কখনো ঘটেনি। এখানে সবাই মিলেমিশে থাকে।” তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন যাতে সমাজে সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টাকারীদের জন্য এটি সতর্কবার্তা হয়ে থাকে। 4319616#