
মোবাচিরের বরাতে ইকনা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ এই ঘটনাকে “ধর্মের প্রতি শত্রুতামূলক আচরণ” আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি এক্স-এ লিখেছেন:
“ফ্রান্স প্রজাতন্ত্রে ধর্মের বিরুদ্ধে এ ধরনের হিংসাত্মক কাজের কোনো স্থান নেই।”
রবিবার রাতে নামাজিরা অনুপস্থিত থাকার সময় এক বা একাধিক ব্যক্তি মসজিদে ঢুকে কয়েকটি কুরআনের কপি মেঝেতে ছুঁড়ে ফেলে এবং ছিঁড়ে দেয়। মাইক্রোফোন ভাঙচুর করা হয় এবং অন্যান্য ধর্মীয় বইয়েরও ক্ষতি করা হয়। কোনো লিখিত বার্তা বা দাবি রাখা হয়নি।
মসজিদের ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ জব্দ করেছে। মসজিদ কর্তৃপক্ষ বলেছে:
“ঘটনাটি গুরুতর, কিন্তু শুধুমাত্র বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায় নিরাপদে আছে।”
অঞ্চলের গভর্নর ইভান কোর্দিয়ে মসজিদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, অপরাধীদের শনাক্ত করতে নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে।
ফ্রান্সের মুসলিম কাউন্সিল (CFCM) এই ঘটনাকে “ইসলামবিদ্বেষমূলক গুরুতর হামলা” বলে নিন্দা জানিয়েছে এবং বলেছে, এটি মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থকে প্রতীকীভাবে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। তারা ফ্রান্সের মুসলিমদের এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঘটনার কয়েকদিন আগেই ১৮ নভেম্বর Ifop জরিপে “ফ্রান্সের মুসলমানদের ইসলাম ও ইসলামপন্থার সঙ্গে সম্পর্ক” নিয়ে একটি বিতর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যাকে নিরপেক্ষতাহীন ও মুসলিম-বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। 4320716#ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে মসজিদে কুরআন অবমাননা: তদন্ত শুরু
ইকনা- ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর লু পুই-অঁ-ভেলে (Le Puy-en-Velay)-র ‘আল-রহমা’ মসজিদে কুরআনের কপি ছিঁড়ে ফেলা ও ধর্মীয় বইয়ের ক্ষতি করার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সরকার।
মোবাচিরের বরাতে ইকনা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ এই ঘটনাকে “ধর্মের প্রতি শত্রুতামূলক আচরণ” আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি এক্স-এ লিখেছেন:
“ফ্রান্স প্রজাতন্ত্রে ধর্মের বিরুদ্ধে এ ধরনের হিংসাত্মক কাজের কোনো স্থান নেই।”
রবিবার রাতে নামাজিরা অনুপস্থিত থাকার সময় এক বা একাধিক ব্যক্তি মসজিদে ঢুকে কয়েকটি কুরআনের কপি মেঝেতে ছুঁড়ে ফেলে এবং ছিঁড়ে দেয়। মাইক্রোফোন ভাঙচুর করা হয় এবং অন্যান্য ধর্মীয় বইয়েরও ক্ষতি করা হয়। কোনো লিখিত বার্তা বা দাবি রাখা হয়নি।
মসজিদের ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ জব্দ করেছে। মসজিদ কর্তৃপক্ষ বলেছে:
“ঘটনাটি গুরুতর, কিন্তু শুধুমাত্র বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায় নিরাপদে আছে।”
অঞ্চলের গভর্নর ইভান কোর্দিয়ে মসজিদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, অপরাধীদের শনাক্ত করতে নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে।
ফ্রান্সের মুসলিম কাউন্সিল (CFCM) এই ঘটনাকে “ইসলামবিদ্বেষমূলক গুরুতর হামলা” বলে নিন্দা জানিয়েছে এবং বলেছে, এটি মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থকে প্রতীকীভাবে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। তারা ফ্রান্সের মুসলিমদের এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঘটনার কয়েকদিন আগেই ১৮ নভেম্বর Ifop জরিপে “ফ্রান্সের মুসলমানদের ইসলাম ও ইসলামপন্থার সঙ্গে সম্পর্ক” নিয়ে একটি বিতর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যাকে নিরপেক্ষতাহীন ও মুসলিম-বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। 4320716#