ইরাকি সংবাদ সংস্থা ওয়ার বরাত দিয়ে ইকনা জানায়, নবী করীম (সা.)-এর মুবারক মিলাদ-এর উপলক্ষে পালিত জাতীয় কুরআন দিবসের অংশ হিসেবে নেইনাওয়া “কুরআন সপ্তাহ” শুরু হয়েছে। এতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শিয়া ওয়াকফ বিভাগের ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান বিভাগের কুরআন বিজ্ঞান ইউনিটের প্রধান রিয়াদ সালেম জালাল বলেন, জাতীয় কুরআন দিবস (২৭ রজব) উপলক্ষে এই বিভাগ একাধিক মাহফিল আয়োজন করেছে।
তিনি আরও বলেন, এসব মাহফিলে ইরাকের জাতীয় পর্যায়ের অনেক মুয়াজ্জিন ও ক্বারী অংশ নিয়েছেন। এই আয়োজন সমাজে কুরআনী সংস্কৃতি জাগরণের লক্ষ্যে করা হয়েছে।
মসজিদে জামে আল-মুসতফা’র ক্বারী ও মুয়াজ্জিন আব্বাস ইলিয়াস তাহা বলেন, এ ধরনের মাহফিল নিনওয়ায় কুরআনী প্রতিভাবানদের চিহ্নিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
অন্য একজন ইরাকি ক্বারী আনওয়ার মুস্তফা আহমাদ জোর দিয়ে বলেন, এই উপলক্ষ আল্লাহর কিতাব ও নবীর সুন্নাহর প্রতি নতুন করে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার এবং সকল ইরাকিকে কুরআনের চারপাশে ঐক্যবদ্ধ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ।
নেইনাওয়ার শিয়া ওয়াকফ বিভাগ জানিয়েছে, এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে তারা সমাজে কুরআনী সংস্কৃতি জাগরণ, যুবকদের মধ্যে কুরআন তিলাওয়াতের প্রতিভা আবিষ্কার এবং তাদের সহায়তা ও উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
ইরাকের মন্ত্রিসভা এক সভায় “আন্তর্জাতিক কুরআন দিবস” উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৭ রজবকে “জাতীয় কুরআন দিবস” হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণা নবী করীম (সা.)-এর মুবারক মিলাদ ও মিরাজের সম্মানার্থে করা হয়েছে। ইরাকই প্রথম দেশ যারা এই দিনটিকে জাতীয় ও ইসলামী ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
https://iqna.ir/fa/news/4329152