
প্যালেস্টাইন আল-ইয়াওমের বরাত দিয়ে ইকনা জানায়, ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান খান ইউনিসের পশ্চিমাঞ্চলে একটি আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে বোমা হামলা করে। এতে ভবনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। প্রকাশিত ছবিতে হামলার পর বিশাল ধ্বংসস্তূপ দেখা যাচ্ছে। এই হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
এছাড়া গাজা শহরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক আবাসিক ভবন ধ্বংস ও বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
ইসরায়েলি সেনারা জেনিনের দক্ষিণে আল-জারবা ও মাসলিয়া, বেইত লাহমের পূর্বে হারমালা, নাবলুসের দক্ষিণে আল-লুবন আশ-শারকিয়া, রামাল্লাহ ও আরিহার আল-আমারি ও আকাবা জাবর শরণার্থী শিবিরসহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামে প্রবেশ করেছে।
এই হামলাগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনী আলোকসজ্জা (ফ্লেয়ার) ব্যবহার করেছে এবং ডজনখানেক বাড়িতে তল্লাশি ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।
এছাড়া কালকিলিয়ার পূর্বে উম্মাতিন গ্রামে ৬ জন যুবক এবং পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকজন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার কয়েক মাস পরও চুক্তির মূল মানবিক ধারাগুলো এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে কমপক্ষে ৫৫৬ ফিলিস্তিনি শহিদ হয়েছেন। প্রশ্ন উঠেছে—যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি থেকে এখন আর কী অবশিষ্ট আছে? 4332612#