IQNA

পশ্চিমা সভ্যতার মুখোশ উন্মোচন: এপস্টিন ফাইল থেকে বেরিয়ে এলো অমানবিকতার কালো চেহারা

15:35 - February 08, 2026
সংবাদ: 3478869
ইকনা- পশ্চিমারা এবং ওদের চেলা-চামুণ্ডারা যারা বিশ্ব এলিট শ্রেণি আসলেই অমানুষ এবং পশুর চেয়েও হীন-নীচ-ইতর।এদের কোনো মনুষ্যত্ব নেই এবং যারা এদের ভালো মানুষ তারাও আসলে পশ্চিমাদের মত হীন-নীচ-ইতর,অধম।এপস্টিন ফাইল পাশ্চাত্য সভ্যতা ও পশ্চিমাদের মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছে এবং পশ্চিমারা যে কত অসভ্য,কুৎসিত,নোংরা,পিশাচ,

খবীস,ফাসেদ,ফাসেক,ফাঁদের (লুচ্চা,অসৎ,দুর্নীতি পরায়ন,পাপী), বদমাইশ,যালিম,যানী (যিনাকারী ব্যভিচারী),ধর্ষক,মানুষখেকো,নরভোজী, হত্যাকারী,ঘাতক তার খানিকটা এই কুখ্যাত এপস্টিন ফাইলের ঝাঁপি থেকে বের হয়েছে।আসলে পাশ্চাত্য সভ্যতা, সংস্কৃতি, লাইফস্টাইল,জীবন,সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কোনো ফায়দা,উপকার,লাভ,কল্যাণ,মঙ্গল,রহমত ও বরকত নেই।এই পাশ্চাত্য হচ্ছে মদের মতো নোংরা ও অপবিত্র।মদের পাপ, অপকার ও ক্ষতি মদের উপকারিতা ও লাভের চেয়ে অধিক ঠিক তেমনি পাশ্চাত্য মতাদর্শ,সভ্যতা, সংস্কৃতি,লাইফস্টাইল,শিক্ষা ব্যবস্থা ইত্যাদির পাপ, অপকার ও ক্ষতি এগুলোর লাভ ও উপকারের চেয়ে অধিক অর্থাৎ অনেক অনেক বেশি!!! পাশ্চাত্য হচ্ছে শয়তানী মতাদর্শ,কুফর,শিরক ও ইলহাদের পূর্ণ বাস্তব রূপ এবং সেই সাথে তার অমানবিক এবং বিবেকবোধ, বুদ্ধিবৃত্তি (আকল) ও ফিতরাতের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

এই পাশ্চাত্যকে খুব ভালোভাবে চিনতে হবে।এই পাশ্চাত্য ইসলাম, মুসলিম উম্মাহ, মানবজাতি ও মানবতার আসল দুশমন।

পাশ্চাত্যের ধ্বংসে মানব জাতির কল্যাণ নিশ্চিত ও নিহিত রয়েছে।

পাশ্চাত্য আসলেই মানব জাতির জন্য হুমকি।The West is MENACE!!!

পাশ্চাত্য হারামখোর হারামী হারামজাদা জারজ বাস্টার্ড। পশ্চিমাদের অধিকাংশ হয় প্রত্যক্ষ বাস্টার্ড (জারজ ও হারামযাদা) অথবা হারামযাদাদের সন্তান ও বংশধর।খুব অল্প সংখ্যক পশ্চিমার জন্ম শুচিতা আছে।এই হারামী হারামযাদাদের দিয়ে আসলে কি বিশ্ববাসীর কল্যাণ (খাইর ও সালাহ্) সাধিত হবে?!!!

সামনে এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

হারামযাদাদের হারামযাদা বলা গালি গালাজ নয়।বহু পশ্চিমা ইউরোপীয়দের হারামজাদা বললে ওরা খুশি হয় যে ওরা হালালযাদা নয় এবং এ নিয়ে গর্ব ও করে যে ওরা হারামযাদা বাস্টার্ড। তাই পিতৃ পরিচয়ের চাইতে পাশ্চাত্যে মাতৃ পরিচয় হচ্ছে আসল। সন্তানের পিতা যে কে সেটা বড় কিছু নয় বরং মায়ের পরিচিতি থাকলেই যথেষ্ট। পশ্চিমা দেশ ও সমাজে বহুলাংশেই সন্তানের পিতাকে পাওয়া যায় না। তাই  মায়ের পরিচিতি ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।এ থেকে প্রমাণিত হয় যে ওদের জন্ম শুচিতা ও পবিত্রতা (হালালযাদা বা বৈধ সন্তান হওয়াটা) উবে ও নি:শেষ হয়ে যাচ্ছে।যদিও ডিএনএ পরীক্ষা করে সন্তানের বায়োলজিক্যাল পিতাকে বের করা যাবে। কিন্তু বায়োলজিক্যাল পিতা খুঁজে পাওয়া গেলেও সে শরয়ী বৈধ পিতা নয়।কারণ হারামযাদারা অবৈধ যৌন সম্পর্ক,যিনা ও ব্যভিচারের ফসল ও উৎপাদন।আর পশ্চিমা দেশ ও জাতি সমূহের মাঝে যিনা, ব্যভিচার, অবৈধ যৌন সম্পর্কই প্রধান ও মুখ্য। অতএব হারামযাদা বেশ্যাদের হারামজাদা বেশ্যা বলায় অসুবিধা আছে কি? শুধু নারীপুরুষের অবাধ অবৈধ যৌনতাই নয় বরং সমকামিতা ও পশুকামের মতো বিকৃত যৌনতার সয়লাবে পুরো পশ্চিমা সমাজ হাবুডুবু খাচ্ছে।

ইসলামী চিন্তাবিদ এবং গবেষক হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান

captcha