
প্রশাসনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে: “এই উন্নয়ন প্রকল্প সারা বছর যাবত নামাজিদের জন্য উপযুক্ত ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করবে। প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:২৫ হাজারের বেশি প্রার্থনা চাদর (সজ্জাদা), ১৭ হাজার জমজম পানির কুলার, ১১ হাজার ৪৩৬টি টয়লেট ও ওযু খানা এবং ১ হাজার ৩০০টি উচ্চমানের স্পিকার যাতে স্বচ্ছ ও স্পষ্ট আওয়াজ সকল স্তরে পৌঁছায়।”
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই তৃতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন মসজিদুল হারামের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রকল্পগুলোর একটি। এটি নামাজিদের জন্য একীভূত ও উন্নতমানের সেবা প্রদানে একটি গুণগত লাফ দিয়েছে—যা সর্বোচ্চ প্রকৌশল ও অপারেশনাল মানদণ্ড অনুসরণ করে আধ্যাত্মিক পরিবেশে নির্মিত।
প্রকল্পের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য: ৪৫৮টি পানির ফোয়ারা (পানীয় জলের পয়েন্ট), ৪২৮টি এসকেলেটর, ২৮টি লিফট, ৮০টি দরজা এবং ১২০টি প্রার্থনা স্থান (مصلى)।
এসব সুবিধা নিচতলা, প্রথম তলা, দ্বিতীয় তলা, আধা-তলা (মেজানাইন) এবং ছাদের মধ্যে সহজ চলাচল নিশ্চিত করবে এবং চরম ভিড়ের সময়ও সর্বোচ্চ সংখ্যক নামাজির জন্য মসৃণ প্রবেশ-প্রস্থান ও চলাচল নিশ্চিত করবে।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে: “তৃতীয় উন্নয়ন পর্যায়টি আমাদের অপারেশনাল পরিকল্পনার মূল স্তম্ভ। আমরা ২৪ ঘণ্টা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি যাতে সকল সুবিধা ও সেবা পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে এবং কার্যকারিতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত হয়। লক্ষ্য হলো—মসজিদুল হারামের যাত্রীদের জন্য সর্বোচ্চ আরাম, নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করা।”