ইকনার বরাতে হজবিষয়ক তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ শনিবার ভোরে (৫ বৈশাখ) ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর-এ অনুষ্ঠিত ১৪০৫ হিজরি সালের হজযাত্রীদের প্রথম দলের বিদায় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অবিবেচনাপ্রসূত যুদ্ধ সত্ত্বেও আমরা মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ যে, বহু বছর অপেক্ষমাণ জিয়ারতপ্রত্যাশীদের জন্য তিনি তাঁর ঘরের দরজা উন্মুক্ত করেছেন।”
নওয়াব আরও বলেন, এ বছরের হজে বিপুলসংখ্যক মানুষ মহান হজ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন এবং হযরত ইব্রাহিম খলিল (আঃ) তাদের আতিথেয়তা করছেন। তিনি এ নিয়ামতের জন্য আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
হজ সম্পর্কে কোরআনের আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “পবিত্র ভূমিতে ইরানি হাজিরা ইসলামী ইরানের কর্মসূচি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের অগ্রদূত হবেন। এই আধ্যাত্মিক সফরে তারা অবশ্যই তাদের কথা স্মরণ করবেন, যারা হজে যেতে পারেননি।”
পবিত্র ভূমিতে গমনকারী সেবাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা হাজিদের সেবার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই মূল্যবান দায়িত্ব পালন করুন।”
হুজ্জাতুল ইসলাম নওয়াব বলেন, শহীদ নেতার মৃত্যু এবং বহু কমান্ডার, সেবাকর্মী ও সাধারণ মানুষের শাহাদাতের কারণে এ বছরের হজ অতীতের হজগুলোর তুলনায় ভিন্ন।
তিনি শহীদ আলিরেজা বায়াত, সাবেক হজ ও জিয়ারত সংস্থার প্রধানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “এই ব্যক্তিদের নাম বিশ্বে ইসলামী উম্মাহর পতাকাবাহক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
4348389