সংবাদ সংস্থা ইকনা এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্বারি ও বিচারক এবং ইরাকের জাতীয় কুরআন বিজ্ঞান কেন্দ্রের পরিচালক রাফি আল-আমেরির সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছে। নিচে প্রশ্নোত্তর আকারে তা তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন: মিশারি আল-আফাসির সাম্প্রতিক অবস্থান কতটুকু সেই বিখ্যাত হাদিসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ— “অনেক ক্বারি আছে যাদের উপর কুরআনই লানত করে”? উত্তর: এই হাদিসটি এমন প্রত্যেক মুসলিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যে কোনো কাফির শাসকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে একটি মুসলিম দেশের ওপর আক্রমণ করে। কুরআন আমাদের এ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। যেমন বলা হয়েছে: یأَيُّهَا الَّذينَ ءامَنوا لا تَتَّخِذُوا اليَهودَ وَالنَّصٰرىٰ أَولِياءَ بَعضُهُم أَولِياءُ بَعضٍ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِنكُم فَإِنَّهُ مِنهُم إِنَّ اللَّهَ لا يَهدِى القَومَ الظّٰلِمينَ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদেরকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না...” (সূরা মায়েদা: ৫১)।
প্রশ্ন: এই কুয়েতি ক্বারির নেতিবাচক চিন্তা ও বিশ্বাস মুসলিম বিশ্বের সাধারণ মানুষের ওপর কী প্রভাব ফেলছে? উত্তর: তার এসব চিন্তা মুসলিম বিশ্বের সাধারণ মানুষের ওপর তেমন প্রভাব ফেলবে না। বরং এর প্রভাব সীমাবদ্ধ থাকবে তাদের মধ্যেই, যারা তার মতো চরমপন্থী চিন্তাধারার অনুসারী।
প্রশ্ন: এ ধরনের বিচ্যুতির বিরুদ্ধে কুরআনিক কর্মী, ক্বারি, হাফেজ ও নাতখানদের দায়িত্ব কী? উত্তর: সবার ওপর দায়িত্ব বর্তায় যে, তারা এই কুয়েতি ক্বারির বক্তব্যের বিরোধিতা করবে এবং তা প্রকাশ্যে নিন্দা করবে।
প্রশ্ন: একজন সুন্দর কণ্ঠের জন্য পরিচিত ক্বারি কেন এমন অবস্থান গ্রহণ করেন? উত্তর: এটি তার অন্তর্গত চরমপন্থী বিশ্বাস থেকে উদ্ভূত। পাশাপাশি যে পরিবেশে তিনি বেড়ে উঠেছেন ও জীবন কাটিয়েছেন, সেটিও এর পেছনে বড় কারণ।
প্রশ্ন: ইরাকের সাধারণ মানুষ ও কুরআনিক অঙ্গনে তার এই অবস্থানের প্রতিক্রিয়া কী? উত্তর: নিশ্চয়ই অধিকাংশ ক্বারি ও কুরআনিক কর্মীরা এই অবস্থান সমর্থন করেন না। কারণ তারা এই ক্বারির পূর্ববর্তী চিন্তাধারা ও বিশ্বাস সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত।
4348723