
আল-মাসিরার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, লেবাননের কৌশলগত বিষয়ক গবেষক আলী হামিয়াহ বলেন, আইপ্যাক (আমেরিকা-ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি) এবং মোসাদ যৌন কেলেঙ্কারি, নৈতিক অপরাধ, জালিয়াতি ও অন্যান্য ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে মার্কিন কংগ্রেস ও প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে।
তিনি বলেন, এর ফলে মার্কিন নেতৃত্বের বেশিরভাগ অংশ সিওনিস্ট “গোপন সরকার”-এর নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। এই ব্যবস্থা খ্রিস্টান সিওনিজমকেও ভিতর থেকে ও বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
আলী হামিয়াহ সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি যৌন বিকৃতি ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং তিনি “আট সদস্যের ব্যান্ড”-এর অন্যতম সদস্য, যারা মার্কিন সামরিক ও পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করে। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও এই নৈতিকভাবে দেউলিয়া গোষ্ঠীর অংশ বলে অভিহিত করেন।
গবেষক আরও বলেন, আইপ্যাক শুধু রিপাবলিকান নয়, অনেক ডেমোক্র্যাটকেও নিয়ন্ত্রণ করে এবং মার্কিন নীতিকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইচ্ছার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে। এর উদ্দেশ্য আমেরিকান জনগণের মন ও চেতনা নিয়ন্ত্রণ করা।

তিনি খ্রিস্টান সিওনিজমের আদর্শিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা করেন এবং বলেন, এই গোষ্ঠী ইসরাইলকে ঈশ্বরের পক্ষ থেকে দেওয়া অধিকার বলে প্রচার করে।
আলী হামিয়াহ বলেন, আইপ্যাক মার্কিন ট্যাক্সপেয়ারদের অর্থ ইসরাইলকে সাহায্য হিসেবে দেয় এবং পরে সেই অর্থই ব্যবহার করে কংগ্রেস সদস্যদের কিনে নেয়, যাতে তারা আমেরিকার স্বার্থের পরিবর্তে সিওনিস্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। 4352906#