বার্তা সংস্থা ইকনা: গত ৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ ইজতেমা গতকাল ৭ই ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে।
আয়োজনকারীদের ভাষ্যমতে, এ ইজতেমা পাকিস্তানের বৃহত্তম ইজতেমাগুলোর একটি। এতে ১৫ লক্ষাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করে থাকে।
এ দলের শীর্ষস্থানীয় আলেম মাওলানা তারিক জামিল ইজতেমাতে বক্তৃতাকালে তওবা ও তাকওয়াকে মুসলমানদের সৌভাগ্যের প্রধান উপকরণ বলে আখ্যায়িত করে বলেন : বর্তমান বিশ্বে মুসলমান ও মুসলিম দেশসমূহের পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে কুরআন ও মহানবি (স.) এর নির্দেশাবলী থেকে দূরে সরে যাওয়া এবং উম্মতের মাঝে বিভেদ-বিচ্ছেদ।
তিনি বলেন : আমরা দ্বীনকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন এবং সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে ঐক্য ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে মহান আল্লাহর অনুগ্রহের ছায়াতলে আসতে পারি।
আয়োজকদের একজন বলেন: এ ইজতেমাতে পাকিস্তানসহ বাংলাদেশ ও ভারতের মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন।
পাকিস্তানের তাবলিগ জামায়াত ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রথম আমির ও প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মাওলানা ইলিয়াস। তার পর তার পুত্র মাওলানা মুহাম্মাদ ইউসুফ এবং তার পর ইনাম হাসান এ জামায়াতের আমিরের দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, শেইখ মুহাম্মাদ ইলিয়াস ভারতের একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।#3473881