আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলীয় ‘সেন্ট-এতিনদু-রুউভরে’ শহরের নুরম্যান্ডি অঞ্চলের গির্জার ক্যাথোলিক ধর্মযাজককে জিম্মি করে জবাই করে হত্যা করেছে দুই সন্ত্রাসী। বাকী জিম্মিদের বাচাতে ফ্রান্সের পুলিশ ঐ দুই সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করে। যাজক হত্যাকারীদের জানাজার নামাজ এবং দাফনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে নুরম্যান্ডির মুসলমানেরা।

এদিকে নুরম্যান্ডি এবং রুভান শহরের মুসলমানেরা মোহাম্মাদ কারাবিলেরে এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।
ইসলামী এসোসিয়েশনের প্রধান মোহাম্মাদ কারাবিল' আরও বলেন: ইসলাম ধর্মের সাথে দায়েশের সম্পর্ক সৃষ্টি করে আমরা এই পবিত্র ধর্মকে কলঙ্কিত করবো না। আমরা এই সন্ত্রাসীর জানাজার নামাজ ও দাফনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করব না।
নুরম্যান্ডি শহরের মুসলিম অধিবাসী খালিদ আল-আমরানী বলেন: এই যুবক এই জঘন্য কাজের মাধ্যমে ক্ষমার অযোগ্য গোনাহের কাজ করেছে। এই কাজের মাধ্যমে সে প্রমাণ করেছে যে, সে মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়।
ঘাতক যুবক 'আদেল কারামিশে'র দাফন কাজের জন্য পৌরসভা সিদ্ধান্ত নেবে।
আদেল কারামিশ (১৯) এবং আব্দুল মালেক পট্রিজান (১৯) গত ২৭ জুলাই সকালে ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলীয় ‘সেন্ট-এতিনদু-রুউভরে’ শহরের নুরম্যান্ডি অঞ্চলের একটি গির্জায় প্রার্থনার সময় অস্ত্র হাতে নিয়ে গির্জার ভিতরে প্রবেশ করে বেশ কয়েক জনকে জিম্মি করে। এ সময় এই সন্ত্রাসীরা গির্জার ৮৪ বছরের যাজক জ্যাক হ্যামলকে হত্যা করে। এ ঘটনার অপর এক ব্যক্তি আহত হয়েছে। এছাড়াও তিন জন রাহাব এবং অপর এক জন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বাকী জিম্মিদের বাচাতে ফ্রান্সের পুলিশ ঐ দুই সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করে।
iqna