আন্তর্জাতিক ডেস্ক; লিবিয়ায় আধুনিক যুগেও সনাতন পদ্ধতিতে কুরআন মুখস্থ করা হয়। পূর্বপুরুষের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে লিবিয়ার শিক্ষার্থীরা কাঠের উপর খোদায়কৃত আয়াত মুখস্থ করে হাফেজ হন। কুরআন মুখস্থ করার এই পদ্ধতি সেদেশের সর্বোত্তম পদ্ধতি।

বার্তা সংস্থা ইকনা: লিবিয়ায় "আবরার" নামক কুরআন হেফজ সেন্টারের শিক্ষা ব্যবস্থা এখনও সনাতন পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। এই সেন্টারের শিক্ষার্থীরা কাঠের উপর খোদায়কৃত আয়াত মুখস্থ করে। আবরার সেন্টারটি লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় সিডরা উপত্যকার মিসরাতার শহরে অবস্থিত।
এই কেন্দ্রের শিক্ষকগণ বিশ্বাস করেন যে পবিত্র কুরআন হেফজের এই ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি অন্য পদ্ধতির তুলনায় অধিক সফল এবং এবং এই পদ্ধতির মাধ্যমে কুরআনের শিক্ষার্থীরা অনেক সাফল্য অর্জন করেছে।
এই পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য সাধারণত জায়তুন কাঠ ব্যবহার করা হয়। পদ্ধতিটা হচ্ছে, কাঠের ওপর খোদায় কৃত আয়াতসমূহের যে অংশগুলো কালি দ্বারা লেখার রয়েছে সেগুলো শিক্ষার্থীরা উচ্চস্বরে তিলাওয়াত করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং এই সেন্টারের একজন দক্ষকর্মী মোহাম্মদ সাশহু বলেন: আমাদের পূর্বপুরুষদের নিকট হতে এই ঐতিহ্যগত পদ্ধতি আমাদের কাছে পৌঁছেছে। কুরআন হেফজের জন্য এটি সর্বোত্তম পন্থ। এই পদ্ধতির মাধ্যমে কুরআনের হাফেজগণ অনেক ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছে। এদেশের অনেক হাফেজ এই পদ্ধতিকে সর্বোত্তম পদ্ধতি বলে অবিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য, লিবিয়ায় কুরআন হেফজের এই ঐতিহ্যগত পদ্ধতির উত্থানের সময় স্পষ্ট নয়। এই পদ্ধতি ব্যবহারকারী শিক্ষকগণ তাদের পূর্বপুরুষদের নিকট থেকে এই সনাতন পদ্ধতি অর্জন করেছেন।
iqna