
বার্তা সংস্থা ইকনা: ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, চূড়ান্ত চুক্তি সইয়ের জন্য পাশ্চাত্যের উচিৎ উগ্র মানসিকতা ও বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকা। তিনি বলেছেন, আমাদের সবার যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকে তাহলে বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে লুজান বিবৃতি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছার সম্ভাবনা থাকবে।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরা ফেবিয়াস যিনি লুক্সেমবার্গ সফরের আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আমরা একটি মজবুত বা টেকসই সমঝোতায় পৌঁছার চেষ্টা করছি। টেকসই সমঝোতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপের পাশাপাশি প্রয়োজনে দেশটির সামরিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া, প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের ব্যবস্থা থাকবে।
ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠী লুজানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ বহু বিষয়ে একমত হয় এবং এর ওপর ভিত্তি করেই খসড়া লেখার কাজ শেষ করা উচিৎ। কিন্তু পাশ্চাত্যের দেশগুলোর স্বেচ্ছাচারী মনোভাব ও অযৌক্তিক দাবি চূড়ান্ত সমঝোতার পথে বড় বাধা হয়ে আছে।
যাইহোক, ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং বর্তমানে সংলাপ অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থানে এসে ঠেকেছে। গত এক দশক ধরে চলে আসা পরমাণু আলোচনার মাধ্যমে বিরাজমান অচলাবস্থার অবসান ঘটবে বলে বিশ্লেষকরা আশা করছেন। সূত্র: শাবিস্তান
3317661