
বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ২ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম আছেন। এর মধ্যে ১৩০০ জনের বেশি রিয়াউ প্রদেশের পেকানবারু শহরে এবং বাকিরা আচেহ ও মেদানে বাস করছেন।
২০২৬ সাল থেকে তাদের খাদ্য, আশ্রয় ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক চাহিদা পূরণ করা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর আর্থিক সহায়তা কমে যাওয়ায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। বর্তমানে শুধু অত্যন্ত দুর্বল গোষ্ঠী (শিশুসহ পরিবার, গর্ভবতী নারী ও বয়স্ক ব্যক্তি)-দের সাহায্য দেওয়া হচ্ছে।
এই অবস্থা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করছে, যাতে এই নির্যাতিত মুসলিম সম্প্রদায়ের ন্যূনতম মানবিক জীবনযাপন নিশ্চিত করা যায়।
যদিও ইন্দোনেশিয়া মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো কঠোর নীতি গ্রহণ করেনি, তবুও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (UNHCR) ইন্দোনেশিয়া সরকারের কাছে সমুদ্রে ভাসমান রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রোহিঙ্গাদেরকে বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংস অভিযানে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নিহত এবং ৭ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা (যাদের অর্ধেক শিশু) বাংলাদেশের বিশাল শরণার্থী শিবিরে অমানবিক পরিস্থিতিতে বসবাস করছে। 4350062#