
বার্তা সংস্থা ইকনা: কাজাকিস্তান হালাল শিল্প সমিতির সভাপতি ‘মুরাত সারসাম্বায়িফ’ এ ব্যাপারে বলেন: এদেশের জনগণ ২০০৫ সালে হালাল শিল্প ও খাদ্যের প্রতি ততটা গুরুত্বারোপ করত না। তবে বর্তমানে হালাল শিল্প ও খাদ্যের প্রতি জনগণের চাহিদা বৃদ্ধি হওয়ার ফলে হালাল প্রতিষ্ঠান গুলো উন্নতি সাধন হচ্ছে।
তিনি বলেন: প্রতি বছরই হালাল খাদ্য উৎপাদনকারী সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সত্যিকার্থে বর্তামানে বাজারের ৩০ শতাংশ মাংসই হালাল। এমনকি অমুসলিমরাও হালাল পণ্য ব্যবহার করছে।
বিগত দশ বছরে কাজাকিস্তানে মুসলিম জনগণ বৃদ্ধি সাথে সাথে হালাল মাংসের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
পূর্বে কাজাকিস্তানের রাজধানীতে হালাল রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের সংখ্যা কম ছিল। তবে বিগত কয়েক বছর যাবত হালাল রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০০৫ সালে কাজাকিস্তানে হালাল খাদ্য কোম্পানির সংখ্যা মাত্র ৮টি ছিল। তবে ২০১২ সালে মধ্যে এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫৮৭টিতে দাঁড়িয়েছে।
সারসাম্বায়িফ বলেন: দ্রুত গতিতে হালাল খাদ্য কোম্পানির সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে এটা স্পষ্ট যে কাজাকিস্তানে হালাল খাদ্যের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বলাবাহুল্য, কাজাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৭ শতাংশ জনগণ মুসলমান এবং ৪৪ শতাংশ রাশিয়ান অর্থোডক্স খ্রিস্টান, ২ শতাংশ প্রোটেস্ট্যান্ট এবং বাকী ৭ শতাংশ জনগণ অন্যান্য ধর্মের অনুসারী। কাজাকিস্তানের অধিকাংশ মুসলমানই হানাফী মাযহাবের অনুসারী। এদেশের অষ্টম শতাব্দীতে ইসলাম ধর্ম প্রবেশ করেছে।
3322118