
বার্তা সংস্থা ইকনা: তুরস্কের ধর্মীয় সংস্থা জানিয়েছে, তুরস্কের ‘কুনিয়া’ প্রদেশের কারাপিনার শহরে ১২ বছরের কিশোরী ‘আলিফ উযান’ জীবন যাপন করেন।
বিশেষ প্রশিক্ষণের সুবাদে এবং সক্রিয় ও নিয়মিত চেষ্টার ফলে আলিফ উযান মাত্র তিন মাসে কুরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি তুরস্কের ধর্ম বিষয়ক সংবাদ মিডিয়ায় এক সাক্ষাতকারে বলেন: “আমি বিশেষ প্রশিক্ষণ পদ্ধতির ফলে মাত্র তিন মাসে কুরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছি।
তিনি বলেন: আমার বড় বোনও কুরআনের হাফেজ। কুরআন প্রশিক্ষণ সেন্টার থেকে তার বিদায় অনুষ্ঠানের দিনে, আমি তিন মাসে কুরআন হেফজ করার সিদ্ধান্ত নেই।
এ সাক্ষাতকারে আলিফ উযান আরও বলেন: ‘জাফর’ নামক কুরআন প্রশিক্ষণ সেন্টারে আমি কুরআনের ক্লাস করেছি। ঐ সেন্টারে আমার সমবয়সী কেউ ছিলনা। আর এ জন্য আমি মাঝে মাঝে মন খারাপ করতাম। তবে কুরআন প্রশিক্ষণ সেন্টার আমার থেকে যারা বয়সে বড় ছিল তারা সকলেই আমাকে ভালবাসত। আর এটি আমার জন্য অনেক আনন্দদায়ক ছিল। এর ফলে আমি অল্প সময়ে কুরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছি।
তিনি বলেন: যারা কুরআন হেফজ করতে চাই, তাদেরকে আমার অনুরোধ তার যেন সক্রিয় এবং পরিকল্পিত ভাবে প্রচেষ্টা চলাই এবং প্রশিক্ষণ সেন্টারের শিক্ষক নির্দেশ মত চলে। তাহলেই তারা সফলকামী হতে পারবে।
তিনি সর্বশেষে বলেন: এরপর আমি পবিত্র কুরআনের অর্থ এবং আরবি ভাষা শিক্ষার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। সত্যিকার অর্থে আমি আমার জীবনের সম্পূর্ণ সময়কে পবিত্র কুরআনের পথে নিয়োজিত করতে চাই।
3331411