
বার্তা সংস্থা ইকনা: উক্ত শীর্ষ সেমিনারে ইমাম জাফর সাদিক (আ.)এর ব্যক্তিত্বের আলোকে মূল্যবান বক্তৃতা পেশ করেন আফগানিস্তানে কুরআন সুপ্রিম কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন হাসান জাদে।
‘ইমাম সাদিক (আ.) দৃষ্টিতে বুদ্ধিবৃত্তিক’ শীর্ষ সেমিনার সম্পর্কে হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন হাসান জাদে বলেন: আয়েম্মা মাসুমিন (আ.) বিশেষ করে হযরত ইমাম সাদিক (আ.)এর জীবনীর সাথে শিক্ষার্থী এবং যুবকদের পরিচয় করানোই এ সেমিনারের প্রধান উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন: ইমাম জাফর সাদিক (আ.) রাজনৈতিক এবং বৈজ্ঞানিক দিক সহ নৈতিক এবং মানবিক দিকেও সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
তিনি ইমাম সাদিক (আ.)এর যুগকে একটি ব্যতিক্রমী সময় হিসেবে অভিহিত করে বলেন: তিনি একটি বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তিনি একাই ছিলেন এবং তার হাতে ৪ হাজারেরও অধিক জ্ঞানী শিক্ষার্থী গড়ের উঠেছে। বৈজ্ঞানিক, সংস্কৃতি এবং ইসলামিক শিক্ষা সহ অন্যান্য বিষয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের দীক্ষিত করেছেন।
এছাড়াও উক্ত শীর্ষ সেমিনারে আফগানিস্তানে শিয়া ওলামা পরিষদের চেয়ারম্যান হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন রেজওয়ানী বামিয়ানী তার নিজ বক্তৃতায় বলেন: ইমাম জাফর সাদিক (আ.) সাধারণ ব্যক্তি এবং তার ছাত্রদের শিখিয়েছেন, কিভাবে জ্ঞানের মাধ্যমে আল্লাহর নিয়ামত সমূহকে ব্যক্তিগণ এবং সমষ্টিগত ভাবে সুষ্ঠু ব্যবহার করতে হয়।
তিনি আরও বলেন: সকল প্রকার জ্ঞান বিস্তারের জন্য ইমাম জাফর সাদিক (আ.)এর ভূমিকা কারো নিকট গোপন নেই। গবেষকগণ এবং চিন্তাবিদগণ ইমাম জাফর সাদিক (আ.)এর যুগকে ইসলামের জন্য একটি স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করেন।
আফগানিস্তানে শিয়া ওলামা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন: আবু হানিফা (হানাফী মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা) ইমাম সাদিক (আ.)এর নিকট দুই বছর জ্ঞান অর্জন করেছেন। আবু হানিফা এ জন্য গর্ববোধ করেছেন। আবু হানিফা নিজের জ্ঞান অর্জন সম্পর্কে বলেন: ‘لولا سنتان لهلک النعمان’ [ইমাম জাফর সাদিক (আ.)এর নিকট যদি দুই বছর জ্ঞান অর্জন না করত, তাহলে নুমান ধ্বংস হয়ে যেত]।
3341515