
ইরান - সৌদি কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃ প্রতিষ্ঠা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশ্বের প্রতি এটার একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রয়েছে। এর ফলে অত্র অঞ্চল অস্থির অবস্থা থেকে একটা শান্ত স্থিতিশীল অবস্থায় উপনীত হতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এটা অত্র অঞ্চলে ব্যাপক গভীর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে । বিভেদ বিভক্তি, গৃহযুদ্ধ ও আভ্যন্তরীন কোন্দল ও গোলযোগ জবাব দেয় না । ইসরাঈল এ সবের সুবিধা ও অপব্যবহার করত এবং প্রচার করত যে ইসরাঈল নয় বরং ইরানই হচ্ছে আরবদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। এখন এ সব প্রচার প্রোপ্যাগ্যান্ডা পুরোনো হয়ে গেছে ( কাজে আসবে না ) । সম্পর্ক উন্নয়নের কারণে ( ইসরাঈল কর্তৃক ) এ সব অপপ্রচার , অপব্যবহার ও বিভেদ - বিভক্তি সৃষ্টি বন্ধ হবে।
ফিলিস্তীনের ব্যাপারে সমগ্র আরব ও মুসলিম বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি এক ও অভিন্ন। কেউ এখন পবিত্র ভূখন্ডের ওপর যায়নবাদীদের আধিপত্য মেনে নিতে নারাজ। ফিলিস্তীনীদের মাঝে আত্মবিশ্বাস ফিরে এসেছে যে তারা ফিলিস্তীন থেকে যায়নবাদীদেরকে বের করে দেবেই। অতএব এ সম্পর্কের বহু ইতিবাচক ফলাফল ও প্রভাব রয়েছে।
ইসলামী চিন্তাবিদ এবং গবেষক হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান