
এ সব নতুন ইহুদী বসতি ও শহর আসলে সামরিক ঘাঁটি ও গ্যারিসন এবং এ সব বসতি ও শহরের বাসিন্দারা সবাই সশস্ত্র এবং বিভিন্ন ধরনের ভারী ও হালকা আগ্নেয়াস্ত্র, ট্যাংক ও কামান দিয়ে সুসজ্জিত। অধিকৃত ফিলিস্তীনের ৭০% ভূখণ্ড দখলদার ইহুদিবাদীদের দখল করে নিয়েছে। ইসরাইল কোন নিয়ম নীতি মেনে চলে না তোয়াক্কা করে না। সব সময় নতুন নতুন ইহুদী বসতি ও শহর তৈরি করেই যাচ্ছে অধিকৃত ফিলিস্তীনী ভূখণ্ডে। পশ্চিম তীরের ৬০% ভূখণ্ড ইসরাঈল দখল করে নিয়েছে। ( ফিলিস্তীনীদের ) এই প্রতিরোধ যুদ্ধ ও সংগ্রাম দীর্ঘ হবে ।
দখলদার ইসরাইলীরা ফিলিস্তীনীদের ক্ষেতখামার , গাড়ী বাড়ী , গাছ পালা সহায় সম্পত্তি সব পুড়িয়ে ফেলছে ; কিন্তু ফিলিস্তীনীদের প্রতিরোধের মুখে ইসরাইলীদের পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। ফিলিস্তীনীদের ওপর ও মসজিদুল আকসায় প্রতিদিন ইসরাঈলী বসতিস্থাপনকারীদের হামলা সত্ত্বেও ফিলিস্তীন সম্পূর্ণ দখলমুক্ত হওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। নতুন নতুন ইহুদী শহর - উপশহর নির্মাণ ও বসতি স্থাপন জবাব দেবে না । এখানে কেন যায়নিস্টরা এসেছে ? ওরা এসেছে ফিলিস্তীন ও পশ্চিম এশিয়ার ( মধ্য প্রাচ্য ) ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য। নিজেদের ন্যায্য অধিকার পাওয়া না পর্যন্ত ফিলিস্তীনী জনগণের সংগ্রাম অব্যাহতভাবে চলবে ।
ইসলামী চিন্তাবিদ এবং গবেষক হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান