
আল-মানার টেলিভিশনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা (IQNA) জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং যুদ্ধমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক যৌথ বিবৃতিতে বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে বোমা হামলার এই হুমকি দেন। একই সঙ্গে তারা দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি শহর ও গ্রাম খালি করারও আলটিমেটাম দিয়েছেন। ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ১৪ জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় এই শহরতলি থেকে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক নির্দেশ জারি করবে।
এরই মধ্যে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের মালিহ, কাফরাহুনা, আল-আকাবিয়া, আল-জারারিয়া, আল-মারওয়ানিয়া, সানবার, আন-নাজারিয়া, আল-আদোসিয়া (সিদন) এবং খিরবাদ বাসিলসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ও শহরের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। আল-মানারের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, এর পরপরই শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমানগুলো আরব সালিম শহরে বোমাবর্ষণ শুরু করেছে।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২৭ জন হতাহত
এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিহ (Nabatieh) প্রদেশের একটি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় অন্তত ২৭ জন লেবানিজ নাগরিক হতাহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকালে নাবাতিহর দেইর আল-জাহরানি এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং ১৯ জন গুরুতর আহত হন। হতাহতদের মধ্যে ৯ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে।
এর আগে গত ২৪ ঘণ্টায় মারজায়ুনের দাবিন শহরের উপকণ্ঠ এবং দক্ষিণ লেবাননের কাফর সাবর ও শোকিন শহরেও ব্যাপক ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল জোন এলাকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো দফায় দফায় বোমাবর্ষণ করে।
হামলার তীব্রতায় নাবাতিহ শহরের আল-বায়াদ এলাকার একটি ১২ তলা ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে। পাশাপাশ হাবহিশত শহরেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর গোলন্দাজ ইউনিট নাবাতিহ আল-ফাওকা শহরে আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত 'সাদা ফসফরাস' বোমা ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। news#