
ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী দিয়াহ রুরো ইস্তি উইদিয়া পুত্রী জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে হালাল পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশটি ৬৩.৪২ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে, যার ফলে ৫১.১৭ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়েছে।
রপ্তানির সবচেয়ে বড় খাত ছিল পাম অয়েল ও এর উপজাত দ্রব্য (৩৪.১৬ বিলিয়ন ডলার), এরপর ইসলামী পোশাক (৮.৬৭ বিলিয়ন ডলার) এবং হালাল প্রসাধনীতে ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্য (৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার)।
উপমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে হালাল পণ্য রপ্তানি ১৫.৬৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় ২.৫২ শতাংশ বেশি।
সরকার লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা এবং উত্তর আমেরিকায় বিপণন, রপ্তানি সহজীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা আরও বাড়াতে চায়, যাতে বিশ্ব হালাল বাজারে ইন্দোনেশিয়ার অংশীদারিত্ব আরও বৃদ্ধি পায়।
এর আগে দেশটির শিল্প উপমন্ত্রী ফয়সাল রেজা বলেছিলেন, হালাল শিল্পের পুরো ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী ও উন্নত করা একটি কৌশলগত প্রয়োজন।
তিনি জানান, বিশ্ব অর্থনীতিতে ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান ক্রমাগত উন্নতি করছে। ২০২৪ সালে হালাল রপ্তানি ৬৪.১১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্ব ইসলামী অর্থনীতির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, ইন্দোনেশিয়া মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবের পর তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।
তবে হালাল ওষুধ ও প্রসাধনী খাতে এখনও আরও প্রচেষ্টার প্রয়োজন রয়েছে। হালাল পণ্যের বৈশ্বিক ব্র্যান্ডিংও এখনও পুরোপুরি সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। 4355709#