IQNA

হেদায়েত ঐক্য আর কল্যাণ কামনায় শেষ প্রথম পর্ব

23:39 - January 26, 2014
সংবাদ: 1366749
আন্তর্জাতিক বিভাগ : অশেষ শ্রদ্ধা আর ভক্তি নিয়ে মহান আল্লাহপাকের দরবারে দুই হাত তুলে কেঁদে কেঁদে হেদায়েত, রহমত, মুসলিম উম্মাহর সুদৃঢ় ঐক্য-ভ্রাতৃত্ব, দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি এবং দেশের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রোববার শেষ হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।

Jugantor এর উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : অশেষ শ্রদ্ধা আর ভক্তি নিয়ে মহান আল্লাহপাকের দরবারে দুই হাত তুলে কেঁদে কেঁদে হেদায়েত, রহমত, মুসলিম উম্মাহর সুদৃঢ় ঐক্য-ভ্রাতৃত্ব, দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি এবং দেশের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রোববার শেষ হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। সেই সঙ্গে আÍশুদ্ধি, গুনাহ মাফ, সব বালা-মুসিবত থেকে হেফাজত, সর্বত্র দীন চালু, মুসলিম জাহানের হেফাজত এবং ইসলামের সব আয়োজন ও দীনের জন্য করা পরিশ্রম কবুল করতে মহামহিম ও দয়াময় আল্লাহতায়ালার কাছে কায়মনোবাক্যে আকুতি জানান মুসল্লিরা। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন দাওয়াতে তাবলিগের শীর্ষস্থানীয় মুরব্বি দিল্লির হজরত মাওলানা যোবায়েরুল হাসান। তিনি আরবি ও উর্দু ভাষায় মোনাজাত করেন। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে শুরু করে ১টা ১৬ মিনিট পর্যন্ত ২১ মিনিট স্থায়ী এ মোনাজাত চলাকালে ইজতেমাস্থল ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা কান্নামাখা আমিন আমিন ধ্বনিতে কেঁপে উঠে। প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাতে রোববার ৩০ লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। দাওয়াতে তাবলিগ আয়োজিত এটি ৪৯তম বিশ্ব ইজতেমা।

মোনাজাতে অংশ নিতে রোববার ভোর থেকেই চারদিক থেকে লাখ লাখ মুসল্লি হেঁটেই ইজতেমাস্থলে পৌঁছেন। সকাল ৯টার আগেই ইজতেমা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেলে মুসল্লিরা মাঠের আশপাশের রাস্তা, অলিগলিতে অবস্থান নেন। ইজতেমাস্থলে পৌঁছতে না পেরে কয়েক লাখ মানুষ কামারপাড়া সড়ক ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন। কিন্তু তাতেও ঠাঁই নিতে না পেরে কয়েক লাখ মানুষ উত্তরা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত, অন্যদিকে টঙ্গী থেকে চেরাগআলী পর্যন্ত এলাকায় অবস্থান নিয়ে খবরের কাগজ, পাটি, সিমেন্টের বস্তা ও পলিথিন বিছিয়ে বসে পড়েন। অংশ নেন মোনাজাতে। এছাড়াও ইজতেমা মাঠের পার্শ্ববর্তী বাসাবাড়ি, কলকারখানা, অফিস, দোকানের ছাদ, যানবাহনের ছাদ ও তুরাগ নদে নৌকায় মুসল্লিরা অবস্থান নেন। যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই দেখা যায় শুধু টুপি-পাঞ্জাবি পরা মানুষ। সবাই অপেক্ষায় কখন শুরু হবে আখেরি মোনাজাত।

আখেরি মোনাজাতের জন্য রোববার আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানাসহ বিভিন্ন অফিস-আদালতে ছিল ছুটি। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা না করলেও কর্মকর্তাদের মোনাজাতে অংশ নিতে বাধা ছিল না। নানা বয়সী ও পেশার মানুষ এমনকি মহিলারাও ভিড় ঠেলে মোনাজাতে অংশ নিতে রোববার সকালেই টঙ্গী এলাকায় পৌঁছেন।

মোনাজাতে ভিআইপিদের অংশগ্রহণ : রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বঙ্গভবনে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে বসে মোনাজাতে অংশ নেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আশরাফুন্নেসা মোশাররফ এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা মোনাজাতে শরিক হন।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এমপি এবং মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার এমপি মঞ্চের কাছে বসে মোনাজাতে অংশ নেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ইজতেমা ময়দান সংলগ্ন এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেডের ছাদে বসে আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন। এর আগে কিছুক্ষণ তিনি বয়ান শোনেন। বিএনপি নেত্রীকে সেখানে স্বাগত জানান গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নান। খালেদা জিয়ার সঙ্গে মোনাজাতে শরিক হন সেলিমা রহমান, হাসান উদ্দিন সরকার, খায়রুল কবির খোকন, শিরিন সুলতানা, হেলেন জেরিন খান, কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহানশাহ আলম, কালিয়াকৈর পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

ইজতেমা ময়দানের পুলিশ কন্ট্রোল রুমে বসে মোনাজাতে অংশ নেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। আখেরি মোনাজাতে বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের কূটনীতিকরা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা শরিক হন।

শেষ দিনে বয়ানকারী : বাদ ফজর বাংলাদেশী মাওলানা জামির উদ্দিন মুসল্লিদের উদ্দেশে বয়ান করেন। এরপর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আখেরি মোনাজাতের আগ পর্যন্ত ভারতের মাওলানা সা’দ তাবলিগের মেহনতের গুরুত্ব তুলে ধরে হেদায়েতি বয়ান করেন। তা বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশ তাবলিগের মজলিসে শূরার সদস্য কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা জোবায়ের।

হেদায়েতি বয়ানে যা বলা হয় : মাওলানা সা’দ বলেন, ঘরে বসে ইবাদতের চেয়ে বাইরে মেহনত করে ইবাদত অনেক ফজিলতপূর্ণ। আল্লাহ তার বান্দাদের দীনের রাস্তায় বের হতে হুকুম দিয়েছেন। সবার কাছে দীনের দাওয়াত পৌঁছে দেয়ার কথা বলেছেন। আর এ জন্য তালিম নিতে হবে। মহল্লায় মহল্লায় দীনের দাওয়াত দিতে হবে। যিনি এখলাছের সঙ্গে দীনের কাজ করবেন তিনিই কামিয়াব হবেন। আল্লাহকে খুশি করার জন্য কাজ করলে জীবনে সফলতা আসবে।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় আমল হল দীনের কাজে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া। দুনিয়ার মাল-সম্পদ আল্লাহর কাছে মূল্যহীন। দুনিয়া দুনিয়ার জায়গায় থাকবে। আখিরাতে দুনিয়ার কোনো সম্পদ কাজে লাগবে না। শুধু দীন ও আমলই কাজে লাগবে। আল্লাহ সব সময় ডাকছেন বান্দারা তার কাছে কিছু চাক। আল্লাহ বান্দাদের দেয়ার জন্য সব সময় তাকে ডাকার অপেক্ষায় থাকেন। কখন বান্দা তার কাছে চাইবেন। মাওলানা সা’দ আরও বলেন, দুনিয়ার চেয়ে আখেরাতের প্রতি আমাদের বেশি করে খেয়াল রাখতে হবে। দুনিয়ার জিন্দিগী ক্ষণস্থায়ী, আখেরাতের জিন্দিগী দীর্ঘস্থায়ী। আমাদের ওপর বৃষ্টির ফোঁটার মতো পেরেশানি ধেয়ে আসছে। এ পেরেশানি থেকে রক্ষার জন্য আমাদের ঈমানী শক্তিকে আরও মজবুত করতে হবে।

ধাবিত হতে হবে আখেরাতের দীর্ঘ জিন্দিগীর দিকে। আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে নিজের কৃতকর্মের অনুশোচনার মাধ্যমে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। চোখের পানি ফেলে মোনাজাত করতে হবে। মোনাজাত কবুল হলেই আমরা পাপমুক্ত হব। দুনিয়া ও আখেরাতে ফিরে আসবে শান্তি।

বিদেশী মেহমান ৩৫ হাজার : এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ কমপক্ষে ৩১০ দেশের তাবলিগ জামাতের প্রায় ৩৫ হাজার বিদেশী মেহমান এবারের ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশী মেহমান আসেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দাওয়াতের মেহনতে বের হওয়ার জন্য এবার প্রথম পর্বে প্রায় এক হাজার জামাত তৈরি হয়েছে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে। ১৫-২০ দিনের মধ্যে এসব জামাত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়বে।

টেলিভিশন-মুঠোফোন ও ওয়্যারলেস সেটে মোনাজাত : ইজতেমা মাঠে না এসেও মোনাজাতের সময় হাত তুলেছেন অসংখ্য মানুষ। গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা মসজিদ মাঠ, ভোগড়া মধ্যপাড়া স্কুলমাঠ, নলজানি ওয়্যারলেস মাঠ, ভুরুলিয়া ওয়াপদা মাঠ, কালিয়াকৈর উপজেলার রতনপুর, আন্দারমানিক, সফিপুর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ওয়্যারলেস সেট ও মুঠোফোনের মাধ্যমে মোনাজাত প্রচার করা হয়। এসব স্থানে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। আবার টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সরাসরি সম্প্রচার করার কারণে অনেকে বাসায় বসে মোনাজাতে অংশ নেন।

মুসল্লিদের দুর্ভোগ : এ বছর ইজতেমা মাঠের বাইরে পর্যাপ্ত মাইক সংযোগের অভাবে বহু ধর্মপ্রাণ মানুষ বয়ান শুনতে এবং মোনাজাতে শামিল হতে দারুণ অসুবিধা ও ভোগান্তিতে পড়েন। ইজতেমা ময়দানের প্যান্ডেলের বাইরে পর্যাপ্ত মাইক সংযোজন ব্যবস্থা না নেয়ায় অনেক মুসল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরেজমিন দেখা যায়, ইজতেমা মাঠ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে উত্তরা হয়ে বিমানবন্দর কিংবা চেরাগ আলী পর্যন্ত মানুষ মোনাজাতে অংশ নেন। কিন্তু মাইক না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন তারা।

ইজতেমা মাঠে মহিলাদের কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধা না থাকলেও মোনাজাতে শরিক হতে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মহিলা টঙ্গীর আশপাশে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে মোনাজাতে অংশ নেন। আবার অনেকে নদের পাড়ে বা আশপাশে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেন। অজু ও গোসলের জন্য তাদের ভোগান্তির শেষ ছিল না।

প্রথম পর্বে ৪ হাজার জামাত তৈরি : দেশের জন্য তাবলিগে মেহনতে বের হতে এবার ইজতেমাস্থলে প্রথম পর্বে প্রায় ৪ হাজার জামাত তৈরি হয়েছে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে। এসব জামাতে কেউ কেউ আজীবন, কেউ এক বছর, কেউ তিন চিল্লার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। দু-একদিনের মধ্যে এসব জামাত বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়বে।

আরও তিন মুসল্লির মৃত্যু : শুক্রবার থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত টঙ্গীর তুরাগ তীরে আসা মুসল্লিদের মধ্যে মোট ৭ জন মারা গেছেন। তার মধ্যে রোববার ইজতেমা ময়দানে তিন মুসল্লি ইন্তেকাল করেন। এরা হচ্ছেন- ছমির উদ্দিন (৭৫), বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার গোলাপগঞ্জ থানার লক্ষণাবন্দ গ্রামে, ঢাকার দোহার থানার কাসেম আলী বেপারী (৬৮), পিতা জাবক্স বেপারী ও ঢাকার বংশালের ১৭১/৪এ-র সিদ্দিক বাজার এলাকার সিরাজ উদ্দিন (৫০), তার পিতার নাম তারা মিয়া।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা : তিন দিনে জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ইজতেমাস্থলের আশপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিশুদ্ধ খাদ্যদ্রব্য আইন, সিটি কর্পোরেশন আইন, মোটরযান আইন ও দণ্ডবিধিতে ২৯টি মামলা, ৭১ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা এবং তিন পকেটমারকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।

গাজীপুর ও টঙ্গীর সব কারখানায় ছুটি : প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে গাজীপুর ও টঙ্গীর সব কারখানায় ছুটি ছিল রোববার। ফলে এবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে সমস্যা হয়নি।

টঙ্গী হাসপাতালে চিকিৎসা : টঙ্গী হাসপাতাল ও সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে তিন দিনে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত প্রায় সাড়ে ১২ হাজার মুসল্লি চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগজনিত ৩২ জনকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। ৬১ জনকে টঙ্গী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আশপাশের বিভিন্ন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে আরও কয়েক হাজার মুসল্লিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

মিডিয়া সেন্টার স্থাপন : বিশ্ব ইজতেমার সংবাদ কাভারেজের সুবিধার্থে টঙ্গী প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় একটি মিডিয়া সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। গত তিন দিন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের মিলনমেলা ছিল এ মিডিয়া সেন্টারে। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা শেষ হওয়া পর্যন্ত মিডিয়া সেন্টার খোলা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন টঙ্গী প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হেদায়েত উল্লাহ।

র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল : ইজতেমা চলাকালে কয়েক দিন ধরে নদীপথে স্পিডবোর্ড ও আকাশপথে হেলিকপ্টারে সার্বক্ষণিক টহল ছিল র‌্যাবের। এছাড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রায় ১২ হাজার সদস্য নিয়োজিত ছিল। এর মধ্যে গাজীপুর জেলা পুলিশ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন রেঞ্জ থেকে কর্মকর্তাসহ ফোর্স এবং সারা দেশ থেকে র‌্যাব ইউনিটের কর্মকর্তাসহ ফোর্সও ছিল।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প : এবারের বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কাজ করছে। প্রায় ৫০টি স্বেচ্ছাসেবী, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে। মন্নুনগর এলাকায় হামদর্দ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ছাড়াও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর সিভিল সার্জন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ছাড়াও টঙ্গী ওষুধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি ময়দানের মুসল্লিদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে।#1366609

captcha