“Sfyrnews” ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে ইরানী কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা “ইকনা’র” রিপোর্ট: “নানটার” শহরের ইসলামী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবারে ফজরের নামাজের উদ্দেশ্যে এই মসজিদে আসলে তারা মসজিদের দরজা এবং দেওয়ালে ইসলাম বিরোধী স্লোগান লেখা দেখেন এবং এ বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেন।
“নানটার” শহরের মেয়র এই ঘৃণিত কাজের তীব্র নিন্দা জানান এবং বলেন, স্বাজাতিবাদীর এই ঘৃণিত কাজকে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং আশাকরি নিরাপত্তা বাহিনী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এদেরকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করবে।
“নানটার” ইসলামী সোসাইটির সভাপতি “রাশেদ আবদুনী” জানান, ইসলামের শত্রুরা যেন এটা মনে না করে, এই কর্মের জন্য আমরা ভয় পেয়েছি এবং এ কারণে আমাদের ইসলামিক কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। প্রতিটি ব্যক্তিরই অধিকার আছে কোন প্রকার ভয় ছাড়াই ইসলামী কাজগুলোয় অংশগ্রহণ করা এবং প্রতিটি মুসলমানেরই মসজিদে এসে স্বাধীন ভাবে নামাজ পড়ার অধিকার আছে।
উল্লেখ্য যে, ২০১২ সালের প্রথম থেকেই ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে মসজিদ ও ইসলামী কেন্দ্রগুলোর উপর হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ফ্রান্স সরকার স্বাজাতিবাদীদের এই আক্রমণের কোন প্রতিবাদই করেনি। এছাড়াও মুসলমানদের সীমাবদ্ধ রাখার জন্য এদেশের সরকার, বিনোদনমূলক সেন্টার, কিন্ডারগার্টেন সহ অন্যান্য জায়গায় মহিলাদের হিজাব অবস্থায় (পর্দা) প্রবেশের নিষিদ্ধ জারি করেছেন।
938593#