IQNA

আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর পবিত্র হজ্ববাণী

8:38 - October 27, 2012
সংবাদ: 2438011
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। ও সালাওয়াতুল্লাহি ও সালামিহি আলার রাসূলিল আ’যামিল আমিন ও আলা আলিহিল মুতাহহিরিনাল মুনতাজাবিন ওসাহবিহিল মাইয়ামিন।
রহমত ও বরকতপূর্ণ হজ্বের মৌসুম আবার এসেছে। সেইসঙ্গে আবার এসেছে আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের নূরানী প্রতিশ্রুতির স্থানে উপস্থিত হবার পরম সৌভাগ্যের সময়। এই পবিত্র স্থান এবং এই কাল বা সময় হজ্বযাত্রীদেরকে আধ্যাত্মিক ও বস্তুগত উন্নয়নের দিকে আহ্বান জানায়। এখানে মুসলিম নারী পুরুষ অন্তর ও ভাষা দিয়ে মহান আল্লাহর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে নিজেদের উপস্থিতির ঘোষণা দিয়ে লাব্বায়িক ধ্বনি তোলেন। সবাই এখানে পরহেজগারী, অভিন্ন বর্ণ এবং ভ্রাতৃত্ব চর্চা করার সুযোগ ও শিক্ষা পান।
হজ্ব একটা প্রশিক্ষণমূলক কর্মশালা। হজ্ব হচ্ছে উম্মাতে ইসলামীর বৈচিত্র, মর্যাদা ও ঐক্যের প্রদর্শনী। হজ্ব হচ্ছে শয়তান এবং তাগুতের বিরুদ্ধে সংগ্রামী চেতনায় উদ্দীপ্ত হবার স্থান। খোদায়ে হাকিম ও কাদির এই স্থানটিকে এমন একটি মহান জায়গায় পরিণত করেছেন যেখানে এসে মুমিনরা নিজেদের প্রকৃত স্বার্থ দেখতে পান। আমরা আমাদের বুদ্ধিদীপ্ত দৃষ্টিকে প্রসারিত করলে দেখতে পাবো ঐশী এই প্রতিশ্রুতি আমাদের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনব্যাপী বিস্তৃত। হজ্বের আচার আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে ইহলোক এবং পরলোকের ভারসাম্যপূর্ণ মিশ্রণ যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে সামাজিক এবং ব্যক্তিগত জীবনেরও মিশ্রণ।
জাঁকজমকপূর্ণ অথচ অলংকারবিহীন একটি কাবা; স্থায়ী এই কাবাকে ঘিরে অন্তরাত্মা এবং দেহগুলোর বৃত্তাকার আবর্তন; একটি সূচনা ও সমাপ্তির মধ্যে ছন্দোময় ও সুশৃঙ্খল চেষ্টা-প্রচেষ্টা; আরাফাতের ময়দান এবং মুযদালিফার মতো অঙ্গনগুলোতে সবার উপস্থিতি-যেখানে এলে সবার অন্তরাত্মাই সতেজ-সজীব হয়ে ওঠে-ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতাগুলো শয়তানকে মোকাবেলা করার ক্ষেত্রে সামষ্টিক আক্রমণের বিষয়টি ফুটিয়ে তোলে। এখানে সবার সমবেত পদক্ষেপ বুঝিয়ে দেয় মানুষ বর্ণের উর্ধ্বে, সব ধরনের ভৌগোলিক সীমারেখারও উর্ধ্বে। হজ্বের এসব আনুষ্ঠানিকতা পরিপূর্ণ ইঙ্গিতবহ ও রহস্যময়.. হজ্বের অনন্য সাধারণ এসব কর্মসূচি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ও গভীর অর্থবহ।
হজ্ব এমন একটি অনুষ্ঠান যা আল্লাহর সঙ্গে অন্তরগুলোকে যেমন সংশ্লিষ্ট বা সম্পৃক্ত করে তেমনি মানুষের শূন্য অন্তরগুলোকে ঈমান ও তাকওয়ার নূরের আলোয় উজ্জ্বল করে তোলে। সেইসঙ্গে ব্যক্তিকে তার অহমিকার বৃত্ত থেকে বাইরে নিয়ে আসে এবং উম্মাতে ইসলামীর বৈচিত্রপূর্ণ সমাবেশের মধ্যে দ্রবণের মতো গলিয়ে মিশিয়ে দেয়। হজ্বে এসে গুনাহের বিষাক্ত তীরের ফলাগুলো থেকে আত্মরক্ষার জন্যে পরহেজগারীর পোশাক পরিধান করতে হয়, এর ফলে শয়তান এবং তাগুতি শক্তিগুলোকে আক্রমণ করার স্পৃহা সৃষ্টি হয়। এখানে অর্থাৎ হজ্বে এসে হজ্বযাত্রীরা মুসলিম উম্মাহ’র বিশাল বিস্তৃতির একটা নমুনা দেখতে পায় এবং তাদের শক্তি সামর্থ্যের ব্যাপারেও সচেতন হয়। সেজন্যে আশাবাদী দৃষ্টি দিয়ে ভবিষ্যতের দিকে তাকায় এবং সৃষ্টিশীল ভূমিকা রাখার ব্যাপারে প্রস্তুতি নেয়ার বিষয়টি উপলব্ধি করে।
হজ্বযাত্রীরা যদি আল্লাহর সাহায্য ও কৃপা লাভে ধন্য হয় তাহলে শ্রেষ্ঠনবীর সঙ্গে তথা ইসলামের সঙ্গে আবার সুদৃঢ় বাইআত গ্রহণের সুযোগ লাভ করে। সেইসঙ্গে আত্মসংশোধন এবং উম্মাতের সংস্কারের জন্যে ‘ইসলাম’ নামক মহান শব্দটি নিজের ভেতরে দৃঢ়তার জন্ম দেয়। এই দু’টিই অর্থাৎ আত্মশুদ্ধি এবং উম্মাহর সংস্কারের দায়িত্ব ও কর্তব্যটি অনিবার্য ও নিরন্তর। দ্বীনী এ দায়িত্বের প্রতি গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিলে এবং প্রজ্ঞা ও বুদ্ধিমত্তাকে ঠিকমতো কাজে লাগালে দেখা যাবে, সমাজ ও আত্মসংস্কারের উপায়গুলো কঠিন নয়। আত্মশুদ্ধির কাজটি শুরু হয় গুনাহের কাজ পরিহার করার চেষ্টা এবং শয়তানী মানসিকতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার মধ্য দিয়ে। আর সমাজ সংস্কারের কাজটি শুরু হয় শত্রুকে চেনা, তার কাজ ও ভূমিকার ব্যাপারে সচেতন হওয়া, শয়তানের শত্রুতা ও প্ররোচনার আঘাতগুলোকে অকেজো করার জন্যে সংগ্রাম করার মধ্য দিয়ে। মুসলমানদের ঐক্য, তাদের দৃঢ় মন এবং অভিন্ন ভাষা থেকে সংগ্রাম করার শক্তি অর্জিত হয়।
সময়ের এই ক্রান্তিলগ্নে মুসলিম বিশ্বের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় সংঘটিত বিপ্লব। এসব বিপ্লব মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যত নির্মাণ করবে। এসব বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এরইমধ্যে ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট বেশ ক’জন জালিম ও স্বৈরশাসকের পতন হয়েছে। এ ধরনের আরো কিছু স্বৈরশাসকের ভিতকেও নড়বড়ে করে তুলেছে। মুসলমানরা যদি এই বিশাল সুযোগকে হাতছাড়া করে কিংবা মুসলিম উম্মাহর সংস্কারের পথে এই সুযোগকে কাজে না লাগায় তাহলে অনেক বড় খেসারত দিতে হবে। আধিপত্যবাদী এবং বলদর্পী আগ্রাসী শক্তিগুলো এখন ইসলামের এই মহান বিপ্লবী আন্দোলন তথা ইসলামী জাগরণকে বিকৃত করতে এবং ভিন্ন খাতে নিয়ে যেতে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এইসব মহান জাগরণে মুসলিম নারী ও পুরুষ স্বৈরাচারী শাসকদের এবং মার্কিন কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। কারণ, মার্কিন সরকার জাতিগুলোকে লাঞ্ছিত ও অপমান করছে এবং অপরাধে অভ্যস্ত ইহুদিবাদী সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করছে। তারা মনে করে জীবন ও মৃত্যুর এই সংগ্রামে একমাত্র ইসলাম ও এর শিক্ষা এবং শ্লোগানই মুক্তির চালিকাশক্তি। সংগ্রামী মুসলমানরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে এ বিষয়টি ঘোষণা করেছেন। তারা মজলুম ফিলিস্তিনিদের রক্ষা ও দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করাকে তাদের প্রধান চাওয়া-পাওয়ার শীর্ষে স্থান দিয়েছেন। তারা মুসলিম জাতিগুলোর দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এবং মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
আর এসবই হল গত দুই বছরে কয়েকটি দেশে সংঘটিত ইসলামী গণ-জাগরণগুলোর কিছু মৌলিক ভিত্তি। এইসব ইসলামী গণ-বিপ্লবে ওড়ানো হয়েছে স্বাধীনতা ও সংস্কারের পতাকা। বিপ্লবীরা মনে-প্রাণে ও জীবন দিয়ে উপস্থিত হয়েছেন বিপ্লবের ময়দানে। আর এসবই বৃহত্তর মুসলিম উম্মাহর সংস্কারের ভিত্তিকে মজবুত করতে পারে। এইসব নীতিমালার ওপর অটল বা অবিচল থাকা এই দেশগুলোর গণ-বিপ্লবগুলোকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী করার শর্ত।
এইসব মূলনীতি ও ভিত্তিগুলোকে নড়বড়ে করার জন্যই বিপ্লবী মুসলমানদের বিরুদ্ধে আজ এতসব শত্রুতা করা হচ্ছে। আমেরিকার দুর্নীতিগ্রস্ত বা কালো হাতগুলোসহ ন্যাটো জোট ও ইহুদিবাদ মুসলমানদের কারো কারো অসচেতনতা ও অগভীর বা সরল চিন্তাধারাকে ব্যবহার করে মুসলিম যুব সমাজের বানের স্রোতের মত ক্ষিপ্র আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং তাদেরকে ইসলামের নামে একে-অপরের বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞে নামিয়ে দিয়েছে। এভাবে তারা উপনিবেশবাদ ও ইহুদিবাদ-বিরোধী জিহাদগুলোকে মুসলিম বিশ্বের সড়ক ও অলি-গলির অন্ধ সন্ত্রাসবাদে রূপান্তরিত করেছে যাতে মুসলমানদের একে-অপরের হাতেই মুসলমানের রক্ত ঝরে এবং ইসলামের শত্রুরা অচলাবস্থা থেকে মুক্তি পায় এবং ইসলাম ও তার মুজাহিদদের চেহারাকে কলঙ্কিত করে তুলে ধরা যায়।
তারা ইসলামকে ও এর শ্লোগানগুলোকে বিলুপ্ত করার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে এখন মুসলিম মাজহাবগুলোর মধ্যে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টির কৌশল প্রয়োগ করছে। শিয়াদের সম্পর্কে ও সুন্নিদের সম্পর্কে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের পথে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
তারা এ অঞ্চলে তাদের অনুচরদের সহায়তায় সিরিয়ায় সংকট সৃষ্টি করেছে যাতে জাতিগুলো তাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও তাদের সামনে বিছানো বিপদের ফাঁদগুলোর কথা ভুলে যায় এবং তারা পরিকল্পিতভাবে যেসব রক্তাক্ত ঘটনা ঘটাচ্ছে সেদিকেই সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে। সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ ও মুসলিম যুবকদের পারস্পরিক হত্যাযজ্ঞ এমন এক অপরাধ যা শুরু হয়েছে আমেরিকা, ইহুদিবাদী ইসরাইল ও তাদের অনুগত সরকারগুলোর মাধ্যমে এবং তারা এই আগুনে ঘি ঢালছে।
কেউকি এটা বিশ্বাস করবেন যে মিশর, তিউনিশিয়া ও লিবিয়ার কলঙ্কিত একনায়কদের সহযোগী সরকারগুলো এখন সিরিয়ার গণতন্ত্রকামীদের সমর্থক হয়েছেন? সিরিয়ার ঘটনাটি হল একটি সরকারের কাছ থেকে প্রতিশোধ নেয়ার ঘটনা যে সরকার তিন দশক ধরে ইহুদিবাদী দখলদার শক্তির মোকাবেলায় একাকী রুখে দাঁড়িয়েছে এবং লেবানন ও ফিলিস্তিনের ইসরাইল-বিরোধী প্রতিরোধ-শিবিরের নানা দলকে রক্ষা করেছে।
আমরা সিরিয় জাতির সমর্থক এবং দেশটিতে যে কোনো ধরনের বিদেশী হস্তক্ষেপ ও উস্কানির বিরোধী। সিরিয়ায় যে কোনো সংস্কার অবশ্যই সেখানকার জনগণের মাধ্যমেই হতে হবে এবং সেখানকার জাতীয় পদ্ধতির আওতায় হতে হবে। আজ আধিপত্যকামী আন্তর্জাতিক চক্রগুলো তাদের সেবাদাস সরকারগুলোর সহায়তা নিয়ে একটি দেশে বিশেষ অজুহাতে সংকট সৃষ্টি করেছে। আর এই সংকটকে অজুহাত করে দেশটিতে যে কোনো অপরাধে লিপ্ত হওয়াকে নিজেদের জন্য বৈধ করে নিয়েছে। এটা এমন এক মারাত্মক বিপদ যে এ অঞ্চলের সরকারগুলো যদি এর বিহিত করার চেষ্টা না করেন তাহলে তাদেরকেও সাম্রাজ্যবাদীদের হাতে একই পরিণতি ভোগের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
প্রিয় ভাইবোনেরা, হজ্ব মুসলিম বিশ্বের গুরত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সুযোগ এনে দিয়েছে। এ অঞ্চলের বিপ্লবগুলোর ভাগ্য ও এ বিপ্লবগুলোর হাতে আঘাত পাওয়া শক্তিগুলোর পক্ষ থেকে বিপ্লবগুলোকে বিচ্যুত করার চেষ্টা মুসলিম বিশ্বের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ নানা ষড়যন্ত্র, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে জেগে ওঠা দেশগুলোর মধ্যে কু-ধারণা বা সন্দেহ ঢুকিয়ে দেয়া, ফিলিস্তিন সংকট ও সংগ্রামীদের কোনঠাসা করার এবং ফিলিস্তিনিদের জিহাদকে স্তব্ধ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র; পশ্চিমা সরকারগুলোর ইসলাম-বিদ্বেষী প্রচারণা ও বিশ্বনবী (সা.)’র পবিত্র মর্যাদার অবমাননাকারীদের প্রতি তাদের সমর্থন, কোনো কোনো মুসলিম দেশে গৃহযুদ্ধ বাঁধানো ও দেশগুলোকে বিভক্ত করার পরিবেশ বা ক্ষেত্র সৃষ্টি, বিপ্লবী সরকার ও জাতিগুলোকে পশ্চিমা সরকারগুলোর কর্তৃত্বকামীতার বিরোধী হবার বিরুদ্ধে ভয় দেখানো এবং এই অলীক ধারণা ছড়িয়ে দেয়া যে ওই আগ্রাসী শক্তিগুলোর কাছে নতি স্বীকারের মধ্যেই রয়েছে তাদের ভবিষ্যত ইত্যাদিও মুসলিম জাহানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় বা সমস্যা। এরকম গুরুত্বপূর্ণ আরো কিছু বিষয় বা ইস্যুও রয়েছে। হজ্বের অবকাশে ও সহমর্মিতা ও ঐক্যের ছায়াতলে আপনারা তথা হজ্বযাত্রীরা অবশ্যই এসব বিষয়ে ভাবতে পারেন।
নিঃসন্দেহে আল্লাহর সহায়তা ও পথনির্দেশণা বা হেদায়াত অধ্যবসায়ী মুমিনদের জন্য নিরাপত্তা ও শান্তির পথগুলো দেখিয়ে দেবে:
“وَالَّذِينَ جَاهَدُوا فِينَا لَنَهْدِیَنَّهُمْ سُبُلَنَا ”
“যারা আমার পথে সাধনায় লিপ্ত হয় বা সংগ্রাম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব।“(আনকাবুত-৬৯)
ওয়াস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুহ ওয়া বারাকাতুহ
সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী
৫ই জ্বিলহজ্ব, ১৪৩৩ হিজরি
সূত্র : রেডিও তেহরান
captcha