Janakantha এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : আবু জিহাদ নিহতের ২৪ বছর পর বিষয়টি ফাঁস হতে যাচ্ছে। ২০০০ সালে লেভ মারা গেলেও এত দিন তার সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হয়নি। সম্প্রতি সেই সাক্ষাতকারটি প্রকাশের অনুমতি দেয় ইসরাইলী সেনাবাহিনী। ১৯৮৮ সালের ১৬ এপ্রিল তিউনিসে পিএলওর সদরদফতরে এক হামলায় নিহত হন আবু জিহাদ। তাঁর প্রকৃত নাম খলিল আল ওয়াজির। ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও) প্রতিষ্ঠায় আরাফাতের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন তিনি।
ওই সাক্ষাতকারে লেভ বলেন, ১৯৮৮ সালের ১৬ এপ্রিল তিউনিসে পিএলওর প্রধান কার্যালয়ে হত্যা করা হয় আবু জিহাদকে। হত্যা অভিযানে গোয়েন্দা তৎপরতার তদারকি করে ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। অভিযানে নেতৃত্ব দেয় সায়ারেত মাতকাল নামে ইসরাইলী এলিট কমান্ডো ইউনিট। লেভ বলেন, ‘আমি তাঁকে (আবু জিহাদ) নিয়ে তৈরি সব নথি পড়েছি। তাঁর বিরুদ্ধে বেসামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক কাজের অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে মৃত্যুর জন্য চিহ্নিত করা হয়। আমি তাঁকে হত্যা করি।
লেভ আরও বলেন, নারীর ছদ্মবেশে অন্য একজন কমান্ডোও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। ওই কমান্ডো সন্ধ্যাকালীন ভ্রমণের ছলে আবু জিহাদের বাড়ির পাশে যান। এরপর নিঃশব্দে গুলি ছুড়ে বাড়ির একজন নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যা করেন তিনি। পরে মুখোশ পরা কমান্ডোরা বাড়ির ভেতর ঢুকে পড়ে। এ সময় একজন লেভকে পেছনে নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠেন সেখানে লেভ প্রথমেই আবু জিহাদকে গুলি করেন। এ সময় নিচতলায় থাকা দ্বিতীয় দেহরক্ষী ও একজন মালীকেও হত্যা করা হয়।#