বার্তা সংস্থা ইকনা: রোববার সকাল ১১টা
শুরু হয়। আখেরি মোনাজাতে মুসলিম জাহানের কল্যাণ কামনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন
তাবলিগ জামাতের মারকাজের শূরা সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ সাদ।
রোববার সকালে সরেজমিন দেখা যায়, কুয়াশার মধ্যে আখেরি মোনাজাতে শরিক হতে ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি তুরাগতীরে জমায়েত হয়েছেন।
মোনাজাতের আগে ইজতেমা ময়দানে চটের সামিয়ানার নিচে বয়ান শোনেন লাখো মানুষ। ময়দান ভরে যাওয়ায় আশেপাশের অলিগলি ও রাস্তায় পাটি, খবরের কাগজ, পলিথিন বিছিয়ে তাতেই অবস্থান নেন অনেকে।
গাজীপুরের মালেকের বাড়ি থেকে আসা নাসির উদ্দিন বলেন, "আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর ৪টার দিকে হেঁটে রওনা হই। সকাল ৮টায় পৌঁছেছি।”
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম বলেন, রোববার ভোর থেকেই ইজতেমা ও এর আশপাশের এলাকায় যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।
আখেরি মোনাজাত প্রচারের জন্য গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস বিশেষ ব্যবস্থা নেয়।
জেলা তথ্য অফিসার নাসিমা আক্তার জানান, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ইজতেমা ময়দান হতে আব্দুল্লাহপুর ও বিমানবন্দর রোড পর্যন্ত এবং গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস ইজতেমা ময়দান হতে চেরাগআলী, টঙ্গী রেল স্টেশন, স্টেশন রোড ও আশপাশের অলিগলিতে পর্যাপ্ত মাইক সংযোগের ব্যবস্থা করা হয়।
আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা জানিয়েছিল জেলা প্রশাসন।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশিদ বলেন, আখেরি মোনাজাতে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য অন্যান্য দিনের চেয়ে দ্বিগুণ ফোর্স (দুই শিফটের ফোর্স এক শিফটে) মোতায়েন করা হয়।
"প্রায় ১২ হাজার র্যাব ও পোশাকধারী পুলিশের পাশপাশি রয়েছে সাদা পোশাকে কয়েক হাজার
গোয়েন্দা সদস্য। আকাশ ও নৌপথে রয়েছে র্যাবের সতর্ক নজরদারি।”
সূত্র:amadershomoys.com