
গ্র্যান্ড মুফতি বলেন, ‘দাবাখেলা সময় এবং অর্থের অপচয় করে এবং তা খেলোয়াড়দের মধ্যে ঘৃণা ও শত্রুতা তৈরি করে। এর সপক্ষে তিনি পবিত্র কোরআনের আয়াতের উদ্ধৃতি দেন যেখানে বলা হয়েছে মাদক, জুয়া, পৌত্তলিকতা এবং ভাগ্য গণনা হারাম।
রাশিয়ার বিখ্যাত দাবা খেলোয়াড় গ্যারি কাসপারভ টুইটারে নিজস্ব পেজে লিখেছেন: দাবা খেলা বন্ধ করা সৌদি আরবের নিছক বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। বর্তমানে আমরা (সৌদি আরবে) মানবাধিকার ও গণতন্ত্র লঙ্ঘন বিষয়ে অধিক উদ্বিগ্ন রয়েছি।
লেবাননের পরিচালক নাসের আল-ফাকিহ টুইটারে লিখেছেন: সৌদি মুফতি দাবা খেলাকে হারাম ঘোষণা করেছে; কারণ দাবা খেলার জন্য চিন্তার প্রয়োজন রয়েছে এবং সৌদি মুফতিদের দৃষ্টিতে চিন্তা করা হারাম।
বলাবাহুল্য, বিশ্বজুড়ে অন্যতম জনপ্রিয় খেলা দাবা বুদ্ধির খেলা হিসেবে পরিচিত। গত শতাব্দীতে দাবা খেলায় কম্পিউটারের ব্যবহার একে আরো জনপ্রিয় করে তুলেছে।