
বার্তা সংস্থা ইকনা: লিবিয়ার অভ্যন্তরীণ সংযোগের অভাব ও বিভেদের ফলে দায়েশের সদস্যরা ইরাকের ও সিরিয়া ত্যাগ করে উত্তর আফ্রিকার এই দেশে পাড়ি জমানোর পরিকল্পনা করছে।
২০১১ সারে লিবিয়ার স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর দেশটির অভ্যন্তরে তাকফিরি সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। আর এ সুযোগে লিবিয়ার উপকূল শহরগুলো বিশেষ করে ‘সিরাত’, ‘বিন জাওয়াদ’ ও ‘ডোরনা’ শহরে প্রবেশ করেছে।
সম্প্রতি প্রায় দায়েশের ৫০০ সন্ত্রাসীকে সনাক্ত করা হয়েছে, যারা লিবিয়ায় প্রবেশ করেছে। দু’মাস পূর্বে জাতিসংঘ এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, বর্তমানে প্রায় দায়েশের ৩০০০ সন্ত্রাসী লিবিয়া সক্রিয় রয়েছে। লিবিয়ার সন্ত্রাসবাদ স্টাডি সেন্টার ধারণা করছে সেদেশে প্রায় ১০০০০ সন্ত্রাসী সক্রিয় রয়েছে।
২০১৫ সালে দায়েশের অনেক সন্ত্রাসী লিবিয়ার "আনসার আল-শরিয়া" অধিভুক্ত হয়েছে। এছাড়াও দুই সপ্তাহ পূর্বে মিসরাতার অপর দুই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তথা ‘আজদাবিয়া বিপ্লবীদের কাউন্সিল’ এবং ‘আজদাবিয়া’ দায়ের অধিভুক্ত হয়েছে।
লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছ: সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশ সেদেশকে নিজেদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। নতুন বছরে লিবিয়ার তেল রপ্তানির জন্য দুটি বড় টার্মিনাল অর্থাৎ Es Sider ও Ra’s Lanuf-এ হামলা চালিয়েছে।
দায়েশ যেভাবে সিরিয়া ও ইরাকের তেল টার্মিনালগুলো দখল করেছে ঠিক সেভাবেই লিবিয়ার তেল টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে।