
বার্তা সংস্থা ইকনা: ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লব হওয়ার পর থেকেই তিনি আস্তানে কুদস রাজাভি ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। ইমাম রেজা (আ.)’র মাজারসহ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ওই ফাউন্ডেশনের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের স্থপতি ইমাম খোমেনী (রহ.) নিজে আয়াতুল্লাহ তাবাসিকে ওই পদে নিয়োগ দিয়ে গিয়েছিলেন।
শিয়া মাজহাবের অষ্টম ইমাম- ইমাম রেজা (আ.)’র মাজার জিয়ারত করতে প্রতি বছর ইরানসহ সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কোটি কোটি মানুষ মাশহাদ সফর করেন। ৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে আব্বাসিয় খলিফা মামুন বিষপ্রয়োগ করে ইমাম রেজা (আ.)কে শহীদ করেছিল।
আজ (শুক্রবার) ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ এক বিবৃতিতে আয়াতুল্লাহ তাবাসির মৃত্যুতে দেশের জনগণের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে। বিবৃতিতে ইমাম খোমেনীর চিন্তাধারা সমুন্নত রাখা এবং শিয়া জিয়ারতকারীদের প্রতি আন্তরিকতাপূর্ণ আতিথেয়তার জন্য আয়াতুল্লাহ তাবাসির বিদেহী আত্মাকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
আয়াতুল্লাহ তাবাসি ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের পর মাত্র ১২ বছর বয়স থেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় কেন্দ্রে অধ্যয়ন ও গবেষণা শুরু করেন।
সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী আগামীকাল মরহুম আয়াতুল্লাহ ওয়ায়েজ তাবাসির জানাযার নামাজ পড়াবেন।
ইমাম রেজা (আ.)এর পবিত্র মাজারের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন: পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামীকাল ইরানের পবিত্র নগরী মাশহাদের শহীদ স্কয়ার থেকে জানাযার নামাজ সম্পন্নের জন্য আয়াতুল্লাহ ওয়ায়েজ তাবাসি’র পবিত্র মৃত্যুদেহ ইমাম রেজা (আ.)এর পবিত্র মাজারের প্রাঙ্গণে আনা হবে এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর ইমামতিতে জানাযার নামাজ সম্পন্ন করা হবে।