বার্তা সংস্থা ইকনা: কুয়েতের মানবিক বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে উক্ত শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৬ সালে ইসলামী বিশ্বের রাজধানী কুয়েত’কে নির্বাচন করার উদ্দেশ্যে সেদেশে অবস্থিত মিশরয় দূতাবাসের সাংস্কৃতিক অফিসের সহযোগিতায় উক্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মিশরের ইসলামী শিল্প ইতিহাসের গবেষক ‘হেবা বারাকাত’ উক্ত সেমিনারে তার বক্তৃতায় বলেন: ইসলামী ক্যালিগ্রাফি এবং ইসলামী শিল্প এমন দুটি শিল্প যা ইসলামী স্থাপত্যশিল্পদের মধ্যে যোগাযোগের উত্তম পন্থা এবং অন্যান্য শিল্পের তুলনায় এই দুটি শিল্প অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন: ইসলামী ক্যালিগ্রাফি শিল্পে সাধারণত বর্ণমালা এবং শব্দের ওপর গুরুত্ব দেয় এবং এর ওপর অধিক চর্চা করার প্রয়োজন রয়েছে।
উল্লেখ্য, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও ইসলামী শিক্ষা সংস্থা ISESCO প্রতি বছর পশ্চিমা, আফ্রিকা এবং এশিয়ার তিনটি দেশকে ইসলামী বিশ্বের রাজধানী হিসেবে পরিচয় করায় এবং তারই সূত্র ধরে ২০১৬ সালে ইসলামী বিশ্বের রাজধানী কুয়েত, মালদ্বীপের রাজধানী মালে এবং সিয়েআ লিওনের রাজধানী ফ্রিটাউন নির্বাচিত হয়েছে।
iqna