
(প্রশংসনীয় তারাই) যারা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! নিশ্চয় আমরা বিশ্বাস করেছি; সুতরাং তুমিও আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দাও; এবং আমাদের জাহান্নামের শাস্তি হতে রক্ষা কর।
(ইহলোকে) মানুষের নিকট কামনার বস্তুগুলো, (যেমন) রমণী, সন্তান-সন্ততি, স্বর্ণ-রৌপ্যের বিপুল সমাহার, (বলবান) অশ্ব, গৃহপালিত চতুষ্পদ প্রাণী এবং কৃষি জমিগুলো- আকর্ষণীয় ও মনোরম করে দেখানো হয়েছে। এসবই পার্থিব জীবনের (কয়েক দিনের) ভোগসামগ্রী এবং (চিরকালের) উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল তো আল্লাহর নিকটেই রয়েছে।
এসব সেই বস্তু-সামগ্রী যার ভিত্তিতে মানুষ গর্ব করে এবং যার মাধ্যমে পথভ্রষ্ট হয়ে যায়। কুরআন মাজীদ সবগুলোর বর্ণনা দিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এসব পরিণামে হিতকর নয়। উত্তম পরিণাম ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কেবল প্রতিপালকের হাতে আছে যার মাধ্যম হল খোদাভীতি ও সাবধানতা অবলম্বন, এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারীদের জন্য উদ্যান, নদী, পবিত্র স্ত্রী, আল্লাহর সন্তুষ্টি সবকিছুই আছে।
আমিরুর মু’মিনিন হযরত আলী(আ.) বলেছেন: মানুষের জীবনের সকল বসন্ত এবং অন্ধকার থেকে মুক্তির পথ একমাত্র ইসলামেই রয়েছে। কল্যাণের সকল দুয়ার ইসলামের চাবীর মাধ্যমে খূলে যায় আর সকল অন্ধকার ইসলামের আলোর মাধ্যমে দূরিভূত হয়।