মুসলিম জাহানের শীর্ষ মনীষী ও বিশ্বখ্যাত মারজায়ে তাকলীদ হযরত আয়াতুল্লাহ আল উযমা মাকারেম শিরাজী বলেছেন যে, আমিরুল মু'মিনিন আলী (আ.) নামাযরত অবস্থাতেও জাকাত দান করে ইতিহাসে মহানুভবতা ও বদণ্যতার নজিরবিহিন দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন।
হযরত
আয়াতুল্লাহ আল উযমা মাকারেম শিরাজী আজ বুধবার ইরানের ধর্মীয় নগরী কোমের
মসজিদে আজামে শীর্ষ আলেমদের ধর্মতত্বের ক্লাসে ১৩ই রজব আমিরুল মু'মিনিন
আলীর (আ.) মহিমান্বিত জন্ম দিবস উপলক্ষে সকল মুসলমানদের প্রতি মোবারকবাদ
জ্ঞাপন করে বলেন: শিয়া ও সু্ন্নী উভয় মাযহাবের নির্ভরযোগ্য হাদীসগ্রন্থে
সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বহুবার ঘোষণা দিয়েছেন
যে, হযরত মূসার নিকট হারুনের যে অবস্থান ছিল, আমার নিকটও আলীর তেমন স্থান
রয়েছে। অর্থাৎ হযরত মূসার (আ.) উত্তরাধিকারী ও স্থলাভিষিক্ত ছিলেন তার ভাই
হারুন। সুতরাং রাসূলেরও (সা.) সুযোগ্য উত্তরাধিকার ও স্থলাভিষিক্ত হলেন
আমিরুল মু'মিনিন আলী (আ.)। কাজেই রাসূল (সা.) এমন ঘোষণা দিয়ে থাকেন, তবে
কারও কোন আপত্তির যৌক্তিকতা নেই। এটা মান্য করা প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানী
দায়িত্ব।
তিনি বলেন: আমিরুল মু'মিনিন আলীর (আ.) মহানুভবতা ও বদান্যতা এতই অপরিসীম
যে, নামাযরত অবস্থাতে মসজিদে আগত ভিক্ষুককে নিজের আঙ্গুলের প্রতি ইশারা করে
জাকাত হিসেবে নিজের আংটি দান করেছেন। অর্থাৎ তিনি আল্লাহ ঘরে আগত
ভিক্ষুককে তিনি শুন্য হাতে ফিরিয়ে দেন নি। আর মানবেতিহাসে এমন নজির আর খুজে
পাওয়া যাবে না।