
ইসলামধর্মে সদাচারের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এসম্পর্কে সূরা আলে ইমরানের ১৫৯ নং আয়াতে বলা হয়েছে:
(হে রাসূল!) আল্লাহর পক্ষ থেকে এ এক অনুগ্রহ যে, তুমি তাদের প্রতি দয়ার্দ্রচিত্ত হয়েছ। যদি তুমি রুক্ষ মেজাজ ও কঠিন হৃদয়সম্পন্ন হতে তবে অবশ্যই তারা তোমার চারপাশ থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে যেত। সুতরাং তুমি তাদের ক্ষমা কর এবং তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং কাজের ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে পরামর্শ কর, অতঃপর যখন তুমি সিদ্ধান্ত গ্রহণ কর তখন আল্লাহর ওপর নির্ভর কর ; (কেননা,) আল্লাহ তাঁর ওপর নির্ভরকারীদের ভালবাসেন।
রাসূল (সা.) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, কিয়ামতের দিন আমি তোমাদের মধ্যে কারও গলায় উট ঝুলতে দেখব এবং উট নিজেই বলতে থাকবে যে, সে আমাকে চুরি করেছে। সেই লোক আমার কছে সাহায্য চাইবে। আমি বলব, আমি তো তোমাদের নিকট আল্লাহর বিধান পৌঁছে দিয়েছিলাম। দুনিয়ায় তুমি আমার কথায় কর্ণপাত করনি, আজ আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না।
অপর হাদিসে আছে যে, ‘কোন ব্যক্তি অপর কারও এক বিঘত জমি অবৈধভাবে আত্মসাৎ করলে কিয়ামত দিবসে সে জমি তার গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। তদ্রুপ চুরির সব মাল (ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয়) চোরের গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। হে আল্লাহ! রক্ষা করুন।
মহানবী(সা.) বলেছেন: যারা অপমানজনক কথাবার্তা বলে, লজ্জাহীন, বখিল, অহংকারী, হিংসক, কুচুটে, নিষ্ঠুর এবং যাদের দারা কোন ভাল কাজ হয় না আর যারা সর্বদা মানুষের ক্ষতি করে তারা আমার উম্মতের সব থেকে খারাপ লোক এবং আমার সাথে তাদের কোন সাদৃশ্যতা নেই।
ইমাম জাফর সাদিক(আ.) বলেছেন: বদমেজাজ, মানুষের নেক আমল ধ্বংস করে যেভাবে ভিনেগার(সিরকা) মধু ধ্বংস করে।
রাসূল(সা.) বলেছেন: প্রকৃত মু,মিন ব্যক্তির মধ্যে একই সাথে কখনও দুটি খারাপ বৈশিষ্ট একত্রিত হয় না, আর তা হল ঈর্ষা এবং বদমেজাজ।