ইরানের ইসলামী বিপ্লবের এক বিরল
সৌভাগ্য এটা যে এই আন্দোলনের নেতা ইমাম খোমেনী (র.) ছিলেন প্রজ্ঞাবান,
সাহসী ও অকুতোভয়। তিনি ছিলেন সময়ের গতি-প্রকৃতি অনুধাবনে সক্ষম। সাধারণ
মানুষের প্রতি তাঁর সহমর্মিতা ও আকুতি ইসলামী জাগরণকে করেছে বেগবান। তাঁর
নেতৃত্বের কারণেই ইরানি জাতি অবসাদ ও হতাশার মত শয়তানী শক্তিগুলোকে পরাজিত
করতে সক্ষম হয়েছে। ইমাম ছিলেন দ্বিধাহীন ও নিঃশঙ্ক আত্মত্যাগের এক
প্রোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
ইমাম খোমেনি(রহ.) তার ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে গোটা বিশ্বের মুসলমানদের মনে নতুন আশার আলো জাগ্রত করেন। তিনি মহানভীর সঠিক ইসলাম নামে একটি পরিভাষা ব্যবহার করার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন যে, আমরা মহানভীর সেই সঠিক ইসলামকে মানতে ও বাস্তবায়ন করতে চাই।
এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন নেতারা ইমাম ইমাম খোমেনি(রহ.) ব্যক্তিত্ব নিয়ে আলোচনা রাখেন। তারা বলেন, ইমাম খোমেনি(রহ.)হচ্ছেন দ্বীন ইসলামের একজন আধ্যাত্মিক মডেল।
বক্তারা বলেন: ইমাম খোমেনির(রহ.)ইসলামী বিপ্লব শতাব্দির সেরা বিপ্লব এব এই বিপ্লব মুসলমানদেরকে সারা বিশ্বে সম্মানিত করেছে। ইমাম খোমেনি(রহ.)সর্বধা মজলূমের কথা বলতেন এবং তাদের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন।
"ইমাম খোমেনীর চিন্তাধারায় ইসলামী জাগরণ" শীর্ষক সম্মেলন বিশ্বের চিন্তাবিদরা ইমাম খোমেনীকে মুসলিম জাতির জাগরণকারী হিসাবে উল্লেখ করেন।
লেবাননের মুসলিম পণ্ডিতদের সমাবেশের সদস্য, খিজির আল কাবাশ বলেন, ইমাম খোমেনী মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বিরাট বুদ্ধিজীবী এবং জিহাদী চেতনার প্রতিষ্ঠাতা।
"শামসুদ্দিন মোহাম্মদ শরাফ আল-দীন" ইয়েমেনি আলেম ইউনিয়নের সভাপতি বলেন: অনেক বিশ্বাসীদের মন ও হৃদয়ে যে ইসলামি ধারণা লুপ্ত হয়ে গিয়েছিল ইমাম খোমেনী তা পুনর্জাগরিত করেছেন। এবং তিনি তাঁর শুধুমাত্র আরব এবং মুসলিম বিশ্বের মধ্যেই আশার আলো জাগায় নি বরং বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত জনগণের অন্তরে আশার আলো জাগিয়েছেন।
সম্মেলন অংশগ্রহণকারীরাজোর দিয়ে বলেন, ইমাম খোমেনী দ্বারা বিপ্লব, প্রতিরোধের ও জিহাদের যে ধারণা সৃষ্টি হয়েছিল এ অঞ্চলের ইসলামী জাগরণে তা স্পষ্ট দৃশ্যমান।