IQNA

আয়াতুল্লাহ খাতামি:

সর্বদা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে

17:52 - July 01, 2016
সংবাদ: 2601104
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তেহরানের জুমা নামাজের অস্থায়ী খতিব হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন সাইয়্যেদ আহমাদ খাতামি জুমার নামাজের প্রথম খুতবায় বলেন: আমরা সর্বদা অত্যাচারের বিরোধিতা করি। আমিরুল মুমিনীর আলী (আ.) অন্যায় ও অত্যাচারের প্রতিবাদের বিষয়ে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে ওসিয়ত করে গিয়েছেন: " كُونَا لِلظَّالِمِ خَصْماً وَ لِلْمَظْلُومِ عَوْناً"।


বার্তা সংস্থা ইকনা: ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য সাইয়্যেদ আহমাদ খাতামি জুমার নামাজের প্রথম খুতবায় বলেন: আমরা সর্বদা অত্যাচারের বিরোধিতা করি। আমিরুল মুমিনীর আলী (আ.) অন্যায় ও অত্যাচারের প্রতিবাদের বিষয়ে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে ওসিয়ত করে গিয়েছেন: " كُونَا لِلظَّالِمِ خَصْماً وَ لِلْمَظْلُومِ عَوْناً" অর্থ: সব সময় তোমাদের শক্তি ও ক্ষমতা মজলুমের সহযোগিতায় জালেমের প্রতিরোধে দ্রুত অগ্রসর হবে। এটা ক্ষমতার নিদর্শন।” (নাহজুল বালাগাহ্,পত্র নং ৪৭)।

আয়াতুল্লাহ আহমাদ খাতামি বলেছেন, ইরানে ইসলামি বিপ্লব সফল হওয়ার পর জুন থেকে জুলাই মাসের মধ্যে আমেরিকা যেসব অপরাধ করেছে সেগুলোই হচ্ছে তাদের মানবাধিকারের নমুনা। সে সময় সবাই দেখেছে আমেরিকা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অভ্যন্তরে ধারাবাহিকভাবে কি ধরনের অপরাধযজ্ঞ চালিয়েছে।

তিনি বলেন, ওই সময়ে মার্কিন পুতুলরা একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে যার মধ্যে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামনেয়ীকে গুপ্তহত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া, ইসলামি প্রজাতন্ত্র দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণ এবং আয়াতুল্লাহ মোহাম্মাদ হোসেইন বেহেস্তিসহ ৭২ জন সংসদ সদস্যকে শহীদ করার ঘটনা ঘটিয়েছে।

সারদাশতের কেমিক্যাল বোমা হামলা, ইয়াজদে আয়াতুল্লাহ সাদুকির শাহাদাত এবং পারস্য উপসাগরের আকাশ থেকে মার্কিন নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানি যাত্রীবাহী বিমান ভূপাতিত করার ঘটনা সবই সে সময় আমেরিকার অপরাধের কথা তুলে ধরে। এসব ঘটনার সঙ্গে আমেরিকার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। এসব অপরাধের জন্য আমেরিকা লজ্জিত হওয়া উচিত বলেও আয়াতুল্লাহ খাতামি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আমেরিকা মুখে মানবাধিকারের স্লোগান দেয় কিন্তু তারা সারা বিশ্বে অপরাধ ও বর্বরতার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে; তারাই উগ্র সন্ত্রাসী ও ইহুদিবাদী ইসরাইলকে মদদ দিয়ে চলেছে। এখন বিশ্ববাসীকে বুঝতে হবে যে, আমেরিকা হচ্ছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রধান শক্তি।#

iqna



captcha