IQNA

আইসক্রিমের প্রতি আগ্রহের কারণে প্রতিষ্ঠিত হল কুরআনিক একাডেমী

23:59 - July 09, 2016
সংবাদ: 2601164
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পবিত্র কুরআনের সূরা মুখস্থ করার পুরস্কার হিসেবে আমেরিকান মুসলিম শিশুদের আইসক্রিম দেওয়া হত। আর এই কারণে একাধিক আইসক্রিম পুরস্কার প্রাপ্ত সেই ছোট্ট শিশু বড় হয়ে নিউইয়র্কে কুরআনিক একাডেমী প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

বার্তা সংস্থা ইকনা: একটি মুসলিম পরিবারে বড় হয়েছে "বিলাল মিমুন"। ১০ বছর না হতেই তিনি কুরআন হেফজ করতে শুরু করেন।
এ ব্যাপারে বিলাল মিমুন বলেন: "আমি এমন একটি মাদ্রাসাই অধ্যয়নরত ছিলাম যেখানে কুরআন শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হত। আমাদের এক শিক্ষিকা ছিল; তিনি সর্বদা চাইতেন আমরা অধিক কুরআন হেফজ করি"।
তিনি বলেন: আমরা তখন ছোট ছিলাম এবং সাধারণত ছোটদের যেকোনো কিছু চাহিদা থাকে। যখন কোন শিক্ষার্থী পবিত্র কুরআনের একাংশ মুখস্থ করত, তখন শিক্ষিকা পুরস্কার হিসেবে একটি আইসক্রিম দিত।
বিলাল বলেন: "শৈশবে আমি আইসক্রিম অনেক ভালবাসতাম। আর এজন্য আমি শৈশবে পবিত্র কুরআনের অনেক সূরা মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছি এবং যখন বড় হয়েছি তখন আমি আমার অন্তর থেকেই পবিত্র কুরআনকে ভালবেসে ফেলি এবং এই আসমানি গ্রন্থ মুখস্থ করা অব্যাহত রাখি"।
তিনি বলেন: "নিউ ইয়র্ক যে সকল মুসলমান রয়েছে তার পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত এবং এই আসমানি গ্রন্থের অর্থ বোঝার জন্য অনেক আগ্রহী। মুসলমানদের আগ্রহীর কারণই এই শহরে কুরআনিক একাডেমী নির্মাণ করেছি।
কুরআন হেফজের ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তি ব্যাবহারের ব্যাপারে বিলাল মিমুন বলেন: বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনে নতুন প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। আর এজন্য সহজ পন্থায় কুরআন হেফজের জন্য নতুন সফটওয়্যার নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেই এবং "রাফিকুল কুরআন" নামক নতুন কুরআনিক সফটওয়্যারের ডিজাইন করেছি।

iqna


 


captcha