
নাসরুল্লাহ বলেন, শত্রুকে তার মূল লক্ষ্য অর্জন থেকে বিরত রাখাই হচ্ছে সাফল্য। কাজেই প্রতিরোধ আন্দোলন তার শত্রুদেরকে লক্ষ্য অর্জন থেকে বিরত রাখতে পেরেছে বলেই এ আন্দোলন সফল।
তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ ২০০০ সালে লেবাননের জনগণকে প্রতিরোধে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি দক্ষিণ লেবানন থেকে ইহুদিবাদী সেনাদের হটিয়ে দিতে পেরেছিল। সেটি ছিল প্রতিরোধ আন্দোলনের অন্যতম বিজয়। এরপর ২০০৬ সালের যুদ্ধেও লেবাননের এক ইঞ্চি ভূমি ইসরাইলকে দখল করতে দেয়নি হিজবুল্লাহ।
আশুরার শোকাবহ ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারবালার ময়দানে দু’টি পক্ষ তাদের নিজ নিজ লক্ষ্য বাস্তবায়নে যুদ্ধ করেছে। এক পক্ষ দুনিয়ার ক্ষমতা নিয়ে ব্যস্ত ছিল এবং আরেক পক্ষ আখেরাতের ফয়সালায় মনোনিবেশ করেছিল। হিজবুল্লাহ মহাসচিব বলেন, আমরা যদি এতটুকু উপলব্ধি করতে পারি যে, কে দুনিয়া পেয়েছে এবং আখেরাতে কে বিজয়ী তাহলেই আমরা বিজয় ও পরাজয়কে চিনতে পারব।
সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্রাহ বলেন, কারবালায় শহীদদের রক্তের বিনিময়ে ইসলাম রক্ষা পেয়েছে ও এর বিস্তার ঘটেছে। ইসলামের সবগুলো মাজহাব আজ ইমাম হোসেইন (আ.) ও তাঁর শহীদ সঙ্গীদের রক্তের কাছে ঋণী।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ঘটনাপ্রবাহ তলোয়ারের ওপর রক্তের বিজয়ের কথা প্রমাণ করেছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বর্তমানে প্রতিরোধ আন্দোলন যে যুদ্ধ করছে তার অনুপ্রেরণা এসেছে ইমাম হোসেইন (আ.)’র কালজয়ী বিপ্লব থেকে।