
বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: ইমাম মাহদী(আ.) হচ্ছেন হজের সেই রহস্য এবং দর্শন। তার স্মরণে হজ হচ্ছে অন্তরের তাওয়াফ আর তার স্মরণ ছাড়া হজ হচ্ছে ইট পাথরের তাওয়াফ। সুতরাং সেই সৌভাগ্যবান যে, ইমাম মাহদীর স্মরণে ইহরাম বাধে এবং অন্য সব কিছুকে তার অন্তরের জন্য হারাম করে দেয়।
ইমাম মাহদী(আ.) আরাফাত এবং মিনাতে প্রকৃত হাজিদের সাথেই থাকেন এবং তিনি সর্বদা তাদের জন্য দোয়া করেন।
পবিত্র কোরআনও মহানবী ছাড়া মক্কা ও মদিনাকে অর্থহীন মনে করে। যেখানে রাসূলের সম্মান ও জান মালের নিরাপত্তা নেই। لاأُقْسِمُ بِهذَا الْبَلَدِ وَ أَنْتَ حِلٌّ بِهذَا الْبَلَدِ» মহান আল্লাহ সেই শহরের কসম খান না। মহানবী ছাড়া মক্কা হচ্ছে পুর্তিপুজকদের শহর, আর কাবা হচ্ছে পুজোখানা।
পবিত্র কোরআনের ঘোষণা অনুযায়ী: ياأ َيُّهَا الرَّسُولُ بَلِّغْ ما أُنْزِلَ إِلَيْكَ مِنْ رَبِّكَ وَ إِنْ لَمْ تَفْعَلْ فَما بَلَّغْتَ رِسالَتَه... » পবিত্র ও মাসূম ইমাম ছাড়া হজ তো দূরের কথা মহানভীর রেসালাতই বৃথা।
এই আয়াত থেকেও প্রমাণীত হয় যে, «وَ أَذِّنْ فِي النَّاسِ بِاالْحَجِّ یَأْتُوكَ رِجالاً ... » প্রতি বছর হজের দাওয়াত দেয়ার জন্য একজন ইমামের প্রয়োজন। সুতরাং ইমাম ছাড়া আরাফাতে কোন মারেফাত নেই। মাশয়ারুল হারামে কোন শুয়ুর তথা চেতনা নেই। আর মিনাতেও কোন নিরাপত্তা নেই। জমজমের পানিতেও কোন কল্যাণ নেই। শাবিস্তান