IQNA

সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে সহিংসতা মিয়ানমারের

15:26 - September 26, 2017
সংবাদ: 2603928
সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে সহিংসতা মিয়ানমারের
বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন, সীমান্ত ঘেঁষে মাইন বসানোসহ মিয়ানমারের বিভিন্ন উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ উচ্চপর্যায়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যেমন করছে, তেমনি স্থানীয়ভাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশও (বিজিবি) করছে। এর মধ্যে অধিকাংশ বিষয়ে মায়ানমারের কাছ থেকে কোনো সাড়া না মিললেও কয়েকটি প্রতিবাদের জবাব পেয়েছে বিজিবি।
সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে সহিংসতা মিয়ানমারের
বার্তা সংস্থা ইকনা: বাংলাদেশের প্রতিবাদের জবাবে মিয়ানমার উসকানির বিষয়টি এড়িয়ে জানিয়েছে, তাদের ভূমিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঠেকাতেই তারা সীমান্তে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
মিয়ানমারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ স্থলসীমান্তের মধ্যে তুমব্রু ও ঘুমধুম নিয়ন্ত্রণকারী ৩৪ ব্যাটেলিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্ণেল মঞ্জুরুল আহসান খান জানান, ২৫ আগস্টের পর থেকে সীমান্তের কাছাকাছিতে আমরা প্রচুর গুলির শব্দ পেয়েছি। বিস্ফোরণের শব্দও পেয়েছি। আমরা দেখেছি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সীমান্তের খুব কাছ দিয়ে টহল দিচ্ছে। যখনই এই ধরনের বিষয় আমাদের নজরে এসেছে তখনই আমরা প্রতিবাদ করেছি। বেশ কয়েকটিতে আমরা মিয়ানমারের যে সীমান্ত বাহিনী আছে তাদের কাছ থেকে রেসপনস পেয়েছি। তারা বলছে যে, তাদের দেশে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চলছে। মূলত এটা ঠেকানোর জন্য তারা কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বিজিবি ককর্মকর্তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৫ আগস্টের পর থেকে অন্তত দুই সপ্তাহ বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গুলিবর্ষণের শব্দ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে নো-ম্যানস ল্যান্ডে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে কয়েকবার গুলি ছুঁড়েছে মায়ানমার। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় ভূমি মাইন পুঁতে রাখে যা বিস্ফোরণে এই পর্যন্ত ৫ জন নিহত এবং ১২ জন আহতের তথ্য আছে বিজিবির কাছে।
বিজিবি সূত্রমতে, ৩৪ ব্যাটেলিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্ণেল মঞ্জুরুল হাসান খানের পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে অন্তত ১০ বার প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়েছে।
বিজিবির এই কর্মকর্তা জানান, মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের সমপর্যায়ের কর্মকর্তার কাছে প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়েছে। মহাপরিচালকের মাধ্যমেও সেদেশের সমমর্যাদার কর্মকর্তার কাছে প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়েছে। তবে মিয়ানমারের সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অব্যাহত উসকানিমূলক কর্মকান্ডের পরও বিজিবি প্রতিবাদ পত্র পাঠানোর মধ্য দিয়েই তাদের জবাব পদক্ষেপ সীমাবদ্ধ রাখার নীতি নিয়েছে বিজিবি। আরটিএনএন
captcha