IQNA

ইসরাইলের সঙ্গে বিতর্কিত চুক্তি, আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের হুমকি এরদোগানের

2:14 - August 16, 2020
সংবাদ: 2611323
ইসরাইলের সঙ্গে বিতর্কিত চুক্তি, আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের হুমকি এরদোগানের
তেহরান (ইকনা): ইসরাইলের সঙ্গে বিতর্কিত চুক্তির জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ভাবছে তুরস্ক। এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এক প্রতিবেদনে জানায়, আজ শুক্রবার ইস্তানবুলে জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের এরদোয়ান বলেন, ‘আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত করতে পারি। অথবা আমাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করতে পারি।’

এরদোয়ান বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে এ ব্যাপারে আমি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত করবো অথবা আমাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নেব, কারণ আমরা ফিলিস্তিনের মানুষের আছি। আমরা ফিলিস্তিনকে পরাজিত হতে দেবো না।’ তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর এ ঘটনা ‘ফিলিস্তিনের সঙ্গে বিশ্বাসঘা'তকতা’।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজকে ইসরাইল সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিভেন রিভলিন। আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির পর এ আমন্ত্রণ জানানো হয়। শুক্রবার ইসরায়েলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সি।

খবরে বলা হয়, ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে ইহুদীবাদী ওই রাষ্ট্রে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট রিভলিন এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘এই চুক্তি ইসরাইল ও আরব আমিরাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জন্য নতুন এক সম্ভাবনার মাইলফলক। আমি আশা করি আমাদের দুই দেশ ও জনগণের মাঝেও পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা আরো দৃঢ় হবে।’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ইসরাইলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত দুই দেশের মাঝে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে ঐতিহাসিক চুক্তি করে। এটি ইসরাইলের সঙ্গে তৃতীয় কোনো আরব রাষ্ট্রের শান্তি চুক্তি। এর আগে মিসর ১৯৭৯ সালে এবং জর্ডান ১৯৯৪ সালে ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করে।
সূত্র:

captcha